ছয় মাসে কাঁচামাল ৩০ শতাংশ বেশি, পাউরুটির দাম একই
চিনি কেজি ১১০, ময়দা ৬২, পামতেল লিটার ১৩৫ আর ঘি কেজি ১৫৪ টাকা — ছয় মাসে কাঁচামালের দাম অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়েছে, অথচ পাউরুটি-বিস্কুটের দাম বাড়ানো যায়নি। জেলার ৯৫টি কারখানা লোকসানে, এক মালিকের দুই বছরের ক্ষতি ৩০,০০,০০০ টাকা।
শরীয়তপুরের ৯৫টি বেকারি কারখানা একসঙ্গে লোকসানে পড়ে যায়, কারণ ছয় মাসের মধ্যে ময়দা, চিনি, পামতেল আর ঘিয়ের দাম অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়ে যায় — চিনি কেজি ১১০ টাকা, ময়দা ৬২ টাকা, পামতেল লিটার ১৩৫ টাকা আর ঘি কেজি ১৫৪ টাকা। মালিকদের একজনের কথায়, "প্রতিদিন যে পরিমাণ কাঁচামাল ব্যবহার করতে হয়, গত ৬ মাসে তার দাম বেড়েছে অন্তত ৩০ শতাংশ।" পাউরুটি আর বিস্কুটের প্যাকেটের দাম ক্রেতার চোখে বাঁধা, তাই এই বাড়তি খরচের পুরোটাই মালিকের ঘাড়ে পড়ে। বেকারি মালিক সমিতির একজন দুই বছরে ৩০,০০,০০০ টাকা লোকসান দিয়ে উৎপাদন বন্ধ করে কারখানাটি ভাড়া দিয়ে দিয়েছেন। দিনে ৪০০ কেজি ময়দা আর ২০০ কেজি চিনি ব্যবহার করা আরেকটি কারখানার মালিক বলছেন প্রতি মাসেই লোকসান হচ্ছে আর ব্যাংকের ঋণ বাড়ছে; ৬০ জন কর্মীর আরেকটি বেকারিতে মাসের বেতনই তোলা যাচ্ছে না।
যা শেখার আছে
- ১.পাউরুটি-বিস্কুটের দাম ক্রেতার চোখে বাঁধা — কাঁচামাল ৩০ শতাংশ বাড়লে পুরো চাপটাই মালিকের ঘাড়ে পড়ে
- ২.কারখানা চালানোর চেয়ে ভাড়া দেওয়া লাভজনক হলে সেটাই বন্ধ করার সংকেত — একজন থেমেছেন, বাকিরা ঋণ বাড়িয়ে চালিয়ে গেছেন
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
