মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেবাসসের প্রতিবেদনে শরীয়তপুরের একজন নারী পার্লার উদ্যোক্তা

৬০ হাজার টাকার ঋণে পার্লার বড়, মাসে আয় ৪০ হাজারের বেশি

নিজের জমানো টাকায় শুরু, পরে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পার্লার বড় করা। এখন পাঁচজন নিয়মিত কর্মী, মাসে আয় ৪০ হাজার টাকার বেশি।

শরীয়তপুর সদরের গঙ্গানগর বাজারে এই নারী উদ্যোক্তা নিজের জমানো টাকায় একটি বিউটি পার্লার দাঁড় করান। পরে এসডিএসের রেইজ কর্মসূচি থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পার্লারটি বড় করেন। এখন সেখানে পাঁচজন নিয়মিত কর্মী কাজ করেন আর মাসে আয় ৪০ হাজার টাকার বেশি; পাশাপাশি একসঙ্গে দুজন করে বেকার নারীকে প্রশিক্ষণও দেন। তবে সংসারের আয় কেবল পার্লারের নয় — স্বামীর চারটি আমবাগান থেকে বছরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা আসে, আর পরিবারটি ৪০ শতাংশ কৃষিজমিও কিনেছে। অল্প টাকার ঋণেও যে ঘরোয়া মাপের একটি পার্লার পাঁচজনের দোকানে দাঁড়াতে পারে, এটি তারই উদাহরণ।

যা শেখার আছে

  1. ১.৬০ হাজার টাকার মতো ছোট ঋণও ঘরোয়া মাপের পার্লারকে পাঁচজন কর্মীর দোকানে নিয়ে যেতে পারে
  2. ২.সফলতার গল্প পড়ার সময় সংসারের অন্য আয় দেখে নিন — এখানে আমবাগানের আয় পার্লারের চেয়ে অনেক বড়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।