মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেবাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে যশোরের শার্শার একজন বাণিজ্যিক মৌচাষি · ২০০৭ সালে শুরু

২৫০ বাক্সের মৌচাষে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ

২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিক মৌচাষ; প্রায় ২৫০টি বাক্স, প্রতি কলোনি থেকে সাত দিনে প্রায় ২ কেজি মধু, বিক্রি ৮০০–১,০০০ টাকা কেজি। সব খরচ বাদে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা।

যশোরের শার্শার এই মৌচাষি ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক মৌচাষ শুরু করেন, এখন এ কাজে তাঁর পনেরো বছর। বাক্স আছে প্রায় ২৫০টি; শীতে সেগুলো সরিষা আর বরইয়ের ফুলের কাছে সরিয়ে নেওয়া হয় — যেখানে ফুল, সেখানেই বাক্স, এভাবেই সারা বছর আয় চলতে থাকে। সাত দিন পরপর মধু সংগ্রহ করা হয়, প্রতি কলোনি থেকে প্রায় ২ কেজি; কাজে আছেন তিনজন কর্মী। মধু বিক্রি হয় ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা কেজি দরে, আর সব খরচ বাদে বছরে থাকে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। তাঁর হিসাবে ৫০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ টাকা হলেই এ কাজ শুরু করা যায়, তবে টাকা ঢালার আগে প্রশিক্ষণ নিতেই হবে — তাঁর কথায়, "কম খরচে ভালো লাভ হয়।"

যা শেখার আছে

  1. ১.যে ফুল ফুটছে সেখানেই বাক্স সরিয়ে নেওয়া — মৌচাষে সারা বছর আয় ধরে রাখার উপায় এটাই
  2. ২.বাক্স কেনার আগে প্রশিক্ষণ নিন — অনভিজ্ঞ হাতে মৌমাছির কলোনি দ্রুত মরে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।