শর্ষেখেতের পাশে ১০০ মৌ-বাক্স, গত বছর ১৩ লাখ টাকার মধু বিক্রি
নওগাঁর মান্দায় এক কৃষক ছয় বছর ধরে নিজের শর্ষেখেতের পাশে মৌ-বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করেন। গত বছর ১০০ বাক্স থেকে ১৩ লাখ টাকার মধু বিক্রি করেছেন, এ বছর আশা ১৫-১৬ লাখ টাকা।
নওগাঁর মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সাটইল গ্রামের এক কৃষক রাজশাহীর তানোরের এক মৌচাষির কাছে প্রশিক্ষণ নিয়ে ছয় বছর ধরে নিজের শর্ষেখেতের পাশে মৌ-বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর ১০০টি বাক্স থেকে তিনি ১৩ লাখ টাকার মধু বিক্রি করেছেন। এ বছর মধুর দাম বেশি হওয়ায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার মধু পাওয়ার আশা করছেন। মৌসুমে তাঁর খামারে ছয় থেকে সাতজন শ্রমিক কাজ করেন; মধু নিষ্কাশন যন্ত্রে বাক্সের চাক থেকে মধু বের করা হয়। জেলায় এ বছর ৬০ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে শর্ষে হয়েছে, ৮২ জন মৌচাষি ৮ হাজার ৩০০টি বাক্স বসিয়েছেন, এবং কৃষি বিভাগ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে মোট প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ টাকার মধু পাওয়ার আশা করছে। মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, খেতে মৌমাছি থাকলে শর্ষের ফলন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বাড়ে। অর্থাৎ কৃষক পান বাড়তি ফলন, মৌচাষি পান মধু। একই মাঠে আরেকজন ঠাকুরগাঁও থেকে ভ্রাম্যমাণ মৌচাষি এসে ৩০০ বাক্সে চার বার মধু নিয়েছেন, প্রতিবার বাক্সপ্রতি সাত থেকে আট কেজি।
যা শেখার আছে
- ১.নিজের শর্ষেখেতের পাশে মৌ-বাক্স রাখলে একই জমিতে ফলন বাড়ে আর মধুর আয়ও আসে।
- ২.মৌসুমে শ্রমিক লাগে, তাই মজুরির খরচ আগে ধরে নিন।
- ৩.প্রশিক্ষণ নিয়ে শুরু করলে ঝুঁকি কমে; তিনি অভিজ্ঞ মৌচাষির কাছে শিখেছেন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
