উঠানের চারা থেকে ৩০ বিঘার পাঁচ নার্সারি
উঠানে পেঁপে-বেগুন-মরিচের চারা বিক্রি করে চার-পাঁচ বছর পর ১৯৯৫ সালের দিকে বাড়ির পাশে নার্সারি। এখন প্রায় ৩০ বিঘায় পাঁচটি নার্সারি, কাজ করেন প্রায় ৩০ জন।
গাজীপুরের শ্রীপুরের মালিপাড়া গ্রামের এই নারী প্রথমে নিজের উঠানেই বীজ থেকে পেঁপে, বেগুন আর মরিচের চারা তুলতেন এবং অল্প অল্প করে বিক্রি করতেন। চার-পাঁচ বছর এভাবে চলার পর ১৯৯৫ সালের দিকে বাড়ির পাশের ছোট একটি জমিতে নার্সারি বসান। সেই একটুকরো জমি থেকে এখন স্বামীর সঙ্গে মিলে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে পাঁচটি নার্সারি চালান, প্রতিটি প্রায় ৬ বিঘার; তাঁর ভাষায়, "এখন আমাদের মোট পাঁচটা নার্সারি"। এই নার্সারিগুলোতেই কাজ করেন প্রায় ৩০ জন কর্মী। রাজেন্দ্রপুর-কিশোরগঞ্জ সড়কের ৫ কিলোমিটার অংশে এমন ২০ থেকে ২৫টি নার্সারি আছে, যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ জন মানুষ দিনে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা মজুরিতে কাজ করেন। শুরুর পুঁজি কত ছিল বা এখন কত আয় হয়, প্রতিবেদনে তা বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.উঠানের বীজতলা থেকেই নার্সারি দাঁড় করানো যায় — কয়েক বছরের ছোট ছোট চারা বিক্রির টাকাতেই প্রথম জমিটা হয়েছে, বাইরের পুঁজি লাগেনি
- ২.আশপাশে একই ব্যবসার দোকান থাকা এখানে ক্ষতি নয় — সড়কের ধারে নার্সারির সারি ক্রেতাও টানে, শ্রমিকও পাওয়া যায়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
