১৯৮৩ সালে দুটি ভ্যান, এখন ৬০০ গাড়ি, ৭০০ শাখা ও প্রায় ১০ হাজার কর্মী
১৯৮৩ সালে দুটি ভ্যান নিয়ে শুরু হওয়া একটি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান এখন ৬৪ জেলায় ৭০০-র বেশি শাখা চালায়, ই-কমার্স পার্সেলের জন্য আলাদা স্বচ্ছ ব্যাগ রেখেছে আর আমের মৌসুমে আলাদা সেবা দেয়।
দ্য ডেইলি স্টারের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে দেশের একটি পুরোনো কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের বিস্তারের গল্প আছে। ১৯৮৩ সালে যখন দেশে একটিমাত্র এয়ার এক্সপ্রেস সেবা ছিল, তখন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি দুটি ভ্যান নিয়ে যাত্রা শুরু করে। এখন তাদের গাড়ি ৬০০টি, ৬৪ জেলায় শাখা ও এজেন্ট অফিস ৭০০-র বেশি, কর্মী প্রায় ১০ হাজার। সেবা তিন ধরনের — সাধারণ, জরুরি ও বিশেষ — তার ভেতরে ই-কমার্স ও পার্সেল। দাম: কাগজপত্র ১৫–৩০ টাকা, ১ কেজির ব্যাগে ১০০ টাকা থেকে ৫ কেজির ব্যাগে ২০০ টাকা, আর ই-কমার্স পার্সেলের জন্য ১৩০ টাকার স্বচ্ছ পলিব্যাগ, যাতে ভেতরের পণ্য দেখে যাচাই করা যায়। গ্রীষ্মে আলাদা ‘ম্যাঙ্গো সার্ভিস’ চলে আলাদা গাড়িবহরে; সেবার শুধু মৌসুমি ফলের জন্য ৬০ জন বাড়তি কর্মী নেওয়া হয়। অভিযোগ সামলাতে ২৪ ঘণ্টার কল সেন্টারে ৪৬ জন এজেন্ট ও ৪০টি লাইন আছে। প্রতিবেদনে একটি অনলাইন বইয়ের দোকান জানায়, ঢাকার ভেতরে নিজেরা ডেলিভারি দিলেও বাইরে তারা এই প্রতিষ্ঠানসহ কয়েকটি কুরিয়ারের ওপর নির্ভর করে। তবে কুরিয়ার সমিতির হিসাবে দেশে ৭০০-র বেশি কুরিয়ার চললেও লাইসেন্স আছে মাত্র ১১৪টির; লাইসেন্সহীনরা কর ও নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে যায় বলে অভিযোগ।
যা শেখার আছে
- ১.ই-কমার্স পার্সেলের জন্য স্বচ্ছ ব্যাগের মতো ছোট ব্যবস্থা বিরোধ কমায় আর বিক্রেতার আস্থা বাড়ায়।
- ২.মৌসুমি চাপের জন্য আলাদা বহর ও অস্থায়ী কর্মী রাখলে নিয়মিত সেবা ব্যাহত হয় না।
- ৩.কুরিয়ার ব্যবসায় লাইসেন্স নিয়ে চলুন; বড় গ্রাহকেরা লাইসেন্সধারী ও অভিযোগ-ব্যবস্থাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান বেছে নেয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
