মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিলেটের একজন ভাপা পিঠা বিক্রেতা

কাপড়ের ব্যবসা ছেড়ে ভাপা পিঠার ঠেলা, দিনে থাকে ৫০০–৬০০ টাকা

বারবার মাল তোলার পুঁজি না থাকায় কাপড়ের ব্যবসা ছেড়ে ভাপা পিঠার ঠেলা। দিনে ৬–৭ কেজি চালের গুঁড়া, কেজিতে ২৫–২৬টি পিঠা, প্রতিটি ১০ টাকা; খরচ বাদে দিনে থাকে ৫০০–৬০০ টাকা।

সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে তিন বছর আগে পাঁচজনের সংসার নিয়ে সিলেট শহরে চলে আসেন এই ব্যক্তি। আগে কাপড়ের ব্যবসা করতেন, কিন্তু বারবার নতুন মাল তোলার টাকা হাতে থাকত না বলে বিক্রি নামতে নামতে ব্যবসাটাই ছেড়ে দিতে হয়। এখন শীতের মৌসুমে ঠেলাগাড়িতে ভাপা পিঠা বিক্রি করেন — দিনে ৬–৭ কেজি চালের গুঁড়া লাগে, প্রতি কেজিতে হয় ২৫–২৬টি পিঠা, বিক্রি প্রতিটি ১০ টাকা। রাত নয়টা পর্যন্ত বসে খরচ বাদ দিয়ে দিনে থাকে ৫০০–৬০০ টাকা। অবস্থা এখনো টানাটানির, তবে তাঁর ভাষায়, "যদিও এখনো নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা, তবে আগের চেয়ে দুই বেলা খেয়ে সংসার টিকায় রাখছি।"

যা শেখার আছে

  1. ১.বারবার মাল তুলতে হয় এমন ব্যবসা হাতে জমা টাকা না থাকলে চলে না — কম মাল লাগে এমন খাবারের ঠেলা সেখানে টিকে গেছে
  2. ২.ফলনটা জেনে রাখুন — এক কেজি গুঁড়ায় ২৫–২৬টি পিঠা, প্রতিটি ১০ টাকা, এই হিসাবেই দিনের আয় দাঁড়ায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।