মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সাতক্ষীরার তালার একজন কেঁচো সার উৎপাদক · ২০১৪ সালে শুরু

৩টি পরীক্ষামূলক বেড থেকে ৩০০ বেড, প্রতি চক্রে আয় আড়াই লাখ

২০১৪ সালে ২০,০০০ টাকায় ৩টি পরীক্ষামূলক বেড দিয়ে শুরু। এখন ৪ বিঘায় ৩০০ বেড, দেড় মাসে প্রায় ২০ টন সার, প্রতি চক্রে আয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা আর লাভ ৫০ হাজারের বেশি।

সাতক্ষীরার তালার শিবপুর ইউনিয়নের এই অবসরপ্রাপ্ত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মী ২০১৪ সালে ৩টি পরীক্ষামূলক বেড আর ২০,০০০ টাকা দিয়ে কেঁচো সার বানানো শুরু করেন; সঙ্গে একটি উন্নয়ন সংস্থা থেকে ৩০,০০০ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। প্রতিবেশীরা তখন তাঁকে ‘কেঁচো মালেক’ বলে ঠাট্টা করতেন। এখন ৪ বিঘা জমিতে ৩০০টি বেড আছে, এক দফা সার তৈরি হতে লাগে ৪০ দিন, আর এক বস্তা গোবর থেকে মেলে ১৫ কেজি কেঁচো সার। দেড় মাসে প্রায় ২০ টন সার হয় — কেঁচো সার টনপ্রতি ১৫,০০০ টাকা আর ট্রাইকো কম্পোস্ট ১০,০০০ টাকায় বিক্রি হয়, তাতে প্রতি চক্রে আসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা, খরচ বাদে লাভ থাকে ৫০,০০০ টাকার বেশি। এখন ৫ জন কর্মী কাজ করেন, আর যাঁরা একদিন হাসতেন তাঁরাই পদ্ধতি শিখতে আসেন। তবে তাঁর কথায়, "কেঁচো সারের খামারে ব্যাংকগুলো ঋণ দিতে চায় না" — সে কারণেই খামার আরও বড় করা আটকে আছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.পুরো খামার বানানোর আগে ২০ হাজার টাকায় ৩টি বেডে পদ্ধতিটা যাচাই করে নেওয়া যায়
  2. ২.ব্যাংক কেঁচো সারের খামারকে ঋণযোগ্য ব্যবসা হিসেবে দেখে না, তাই বাড়ার পরিকল্পনা করুন নিজের লাভের টাকায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।