মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের তারাগঞ্জের একজন গরুর খামারি

১৬ মণের ষাঁড়ে দাম চাওয়া ৬ লাখ, সর্বোচ্চ দর উঠল আড়াই লাখ

দুই বছরে একটি ষাঁড়ের পেছনে শুধু কেনা খাবারেই গেছে ২ লাখ টাকার বেশি, এখনো দিনে খরচ ৫০০–৬০০ টাকা। কোরবানির হাটে গরুটি বিক্রি হয়নি।

রংপুরের তারাগঞ্জের ইকরচালী গ্রামের এই খামারি কোরবানির ঈদের জন্য দুই বছর ধরে একটি ষাঁড় মোটাতাজা করেছেন; ওজন দাঁড়িয়েছে অন্তত ১৬ মণ। দাম চেয়েছিলেন ৬ লাখ টাকা, কিন্তু একজন ক্রেতা এসে দেখে দর বলেছেন আড়াই লাখ। শুধু কেনা খাবারেই এই একটি গরুর পেছনে তাঁর গেছে ২ লাখ টাকার বেশি, আর এখনো প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা খরচ হচ্ছে। ষাঁড়টি শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয়নি — তাঁর ভাষায়, "বেচাই নেই, এ্যালা চিন্তাত পড়ি গেইনো।" বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল ৫০,৮৬৩টি, অথচ প্রস্তুত ছিল ৫৯,৫৬৫টি; দাম ছিল কম আর ক্রেতারা খুঁজছিলেন ছোট ও মাঝারি গরু। বড় করে মোটাতাজা করা গরুগুলোই হাটে অবিক্রীত পড়ে থেকেছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.হাটে যে আকারের গরু বিকোয় সেটাই পালুন — সেবার চাহিদা ছিল ছোট আর মাঝারি গরুর, বড় মোটাতাজা ষাঁড়গুলোই পড়ে ছিল
  2. ২.দুই বছরের মোটাতাজাকরণে খাবারের খরচ জমতে থাকে — দিনে ৫০০–৬০০ টাকা হিসাবে না বিক্রি হওয়া প্রতিটি সপ্তাহেই লোকসান বাড়ে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।