চাকরি ছেড়ে খেজুরগুড়ের দুধ চায়ের দোকান; দিনে ১০০–১৫০ কাপ, কাপ ৩০ টাকা, পাঁচজনের কর্মসংস্থান
যশোর শহরের এক তরুণ ২০২৩ সালের নভেম্বরে চাকরি ছেড়ে মায়ের বানানো খেজুরগুড়ের চায়ের রেসিপি নিয়ে দোকান দেন। বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা দোকানে প্রতিদিন ১০০–১৫০ কাপ চা বিক্রি হয়।
যশোর শহরের আরবপুরে ‘হাইপ’ নামের চায়ের দোকানের উদ্যোক্তা ঢাকার এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে মার্কেটিংয়ে স্নাতক শেষ করেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পড়ার সময় থেকে প্রায় পাঁচ বছর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে ২০২৩ সালের নভেম্বরে চাকরি ছেড়ে খেজুরগুড়ের দুধ চা ও কাবাব-রুটির দোকান শুরু করেন। রেসিপির সূচনা একদিন ঘরে চিনি না থাকায় মা খেজুরগুড় দিয়ে চা বানানো থেকে। চা দেওয়া হয় আগুনে পোড়ানো মাটির কাপে। দোকানটি বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত একবেলা খোলা থাকে; প্রতিদিন ১০০-১৫০ কাপ চা বিক্রি হয়, প্রতি কাপের দাম ৩০ টাকা, শুক্র-শনিবার বিক্রি বেশি। অধিকাংশ ক্রেতা তরুণ, তাঁদের আকর্ষণ করতে দোকানের নাম রাখা হয়েছে ‘হাইপ’ এবং সাজসজ্জায় আধুনিকতার সঙ্গে গ্রামীণ ছোঁয়া: ক্যাশ টেবিলটি পুরোনো ভেসপা মোটরসাইকেলের সামনের অংশ দিয়ে বানানো, গোলপাতার ছাউনি, হারিকেন, গাছ ও কিছু বই। মালিকসহ পাঁচজন কাজ করেন; নিজের বেতন বাদে কর্মচারীদের বেতন বাবদ মাসে প্রায় ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়, বাকি যা থাকে তা তাঁর কাছে সন্তোষজনক। কাবাব-রুটিও ইতিমধ্যে সুনাম পেয়েছে।
যা শেখার আছে
- ১.একটি আলাদা স্বাদ বা রেসিপি (খেজুরগুড়ের দুধ চা) অন্য চায়ের দোকান থেকে আপনাকে আলাদা করে।
- ২.তরুণ ক্রেতা টানতে সাজসজ্জা, কাপ ও নাম সব মিলিয়ে একটি পরিচয় গড়ুন।
- ৩.প্রতি কাপের দাম ও বিক্রির সংখ্যা থেকে মাসের কর্মচারী-বেতনের খরচ আগে হিসাব করে নিন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
