মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে ঠাকুরগাঁওয়ের একজন বায়োফ্লক মাছচাষি

চার লাখের বায়োফ্লক, শেষে বিক্রি ৬০ হাজার টাকার মাছ

দুটি ট্যাংক, ত্রিপল, পোনা আর বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে খরচ প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা। দুই দফায় শুধু মাছেই গেছে ১,৮০,০০০ টাকা, বিক্রি হয়েছে ৬০,০০০ টাকার মাছ।

নারায়ণগঞ্জে বায়োফ্লক প্রশিক্ষণ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের এই চাষি বাড়িতেই দুটি ট্যাংক বসান; ট্যাংক, ত্রিপল, পোনা আর বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা। প্রথমে কই পোনা ছাড়েন, কিন্তু পোনার মান খারাপ হওয়ায় ১৮ থেকে ১৯ হাজার পোনা মরে যায়। দ্বিতীয় দফায় আবার পোনা ছাড়েন, আর তখন হঠাৎ বন্যার পানিতে অনেক মাছ ভেসে যায় — পানি বের করার মতো কোনো ব্যবস্থা রাখা ছিল না। এরপর তেলাপিয়ায় যান, সেখানেও ভালো পোনা মেলেনি আর বাজারদরও ছিল কম। দুই দফা মিলিয়ে শুধু মাছেই গেছে ১,৮০,০০০ টাকা, তার ওপর অ্যারেটরের মোটর চালাতে বিদ্যুৎ বিল উঠেছে চড়া। তাঁর ভাষায়, "সব মিলিয়ে আমি এত টাকা খরচ করে মাত্র ৬০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পেরেছি" — শেষ পর্যন্ত সরঞ্জাম বিক্রি করে খামার বন্ধ করে দেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.বায়োফ্লকে পোনার মানই একমাত্র জায়গা যেখানে ভুল হলে সব শেষ — পরপর দুই দফা খারাপ পোনায় ট্যাংক যত ভালোই হোক কিছু থাকে না
  2. ২.শুরুর খরচের সঙ্গে চলতি খরচও হিসাব করুন — অ্যারেটরের বিদ্যুৎ বিল আর পানি বের করার ব্যবস্থাই ঠিক করে দেয় টাকা উঠবে কি না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।