গত বছরের ৩,২০০–৩,৭০০ টাকা মণের কাজুবাদাম এবার ১,৭০০ টাকা
থানচির এই চাষির প্রায় ২,০০০ কাজুগাছ থেকে এ মৌসুমে মিলেছে ২০ মণ, বিক্রি হয়েছে মণপ্রতি ১,৭০০ টাকায় — আগের বছর দর ছিল ৩,২০০ থেকে ৩,৭০০ টাকা।
বান্দরবানের থানচি উপজেলার চান্দাক পাড়ার এই চাষির প্রায় ২,০০০ কাজুবাদামের গাছ, এ মৌসুমে ফলন হয়েছে ২০ মণ। বিক্রি করতে হয়েছে মণপ্রতি ১,৭০০ টাকায়, অথচ আগের বছর একই বাদাম গেছে ৩,২০০ থেকে ৩,৭০০ টাকায়। প্রতিবেদনে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, গাছে মুকুল আসার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় বাদাম ছোট আর নিম্নমানের হয়েছে, আর করোনার সময় বাইরের ক্রেতারা প্রায় আসেননি। রোয়াংছড়ির আরেক চাষির পাঁচ একরে ২০০ গাছ থেকে ফলন ৫ মণ থেকে নেমে ৩ মণ হয়েছে, আর তাঁকে দর বলা হয়েছে ২,০০০ টাকার কম। কেউ কেউ এই দামে না বেচে বাদাম ঘরে তুলে রেখেছেন।
যা শেখার আছে
- ১.পাহাড়ে কাজুবাদাম মুকুলের সময়ের বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল — ভুল সপ্তাহে এক দফা খরা ফলন আর মানের দুটোই কমিয়ে দেয়
- ২.ক্রেতা আসেন জেলার বাইরে থেকে, স্থানীয় বাজার নেই — তাই ক্রেতা না এলে দাম এক বছরেই অর্ধেকের নিচে নামতে পারে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
