মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

কাজু বাদাম ও কফি চাষ

পাহাড়ের জমিতে কাজুবাদাম ও কফির বাগান। চাষি কাঁচা বাদামে কেজি ৳১৮০–২০০ আর কাঁচা কফিতে ৳৩৫০–৪০০ পান, কিন্তু চারা লাগানোর পর প্রথম ফল পেতে কফিতে ৩–৪ আর কাজুতে ৪–৫ বছর লাগে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
কাজু বাদাম ও কফি চাষ — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

কাজু বাদাম ও কফি চাষ — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়

শুরুর পুঁজি
৳৫০,০০০ – ৳৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
১,০৯৫ – ১,৮২৫ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
খরচ উঠতে
৪৮ – ৮৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

পাহাড়ের ঢালে কাজুবাদাম ও কফির বাগান করা। সরকার এই দুটো ফসলের পেছনে জোর দিয়েছে — কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কাজুবাদাম ও কফি প্রকল্প ২০২১ সালের জুনে শুরু হয়ে এখন ১৯ জেলার ৬৬ উপজেলায় চলছে, চারা ও প্রশিক্ষণ বিনা মূল্যে দেওয়া হয়। কাজুবাদামের আবাদ ২,২০০ হেক্টর থেকে সাড়ে চার হাজার হেক্টরে আর কফি ৬৫ হেক্টর থেকে প্রায় দুই হাজার হেক্টরে উঠেছে। কিন্তু একটা কথা আগে জেনে নেওয়া দরকার, নইলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে — গাছ লাগিয়ে ফল পেতে বছরের পর বছর লাগে। কাজুবাদামের চারা লাগানোর চার থেকে পাঁচ বছর পর প্রথম ফুল ও ফল আসে, কফিতে তিন থেকে চার বছর। রুমার মংসুই মারমা তিন বছর আগে ৫০টি গাছ লাগিয়ে এবার দশ কেজির কিছু বেশি ফল পেয়েছেন। ম্রোলং পাড়ার মাংপং ম্রো তিন বছর আগে আমবাগানের অর্ধেকে ৬০০ কফির চারা লাগিয়েছিলেন; প্রথম বছর লাভ হয়েছিল ৳২,৫০০, এখন বছরে আয় ৳৪০,০০০। এই মাঝের সময়টা জমি বসে থাকে, আয়ও থাকে না। দাম ভালো। চাষি কাঁচা কাজুবাদামের কেজি পান ৳১৮০–২০০, কাঁচা কফি ৳৩৫০–৪০০ — যেখানে পাহাড়ে এক কেজি আম থেকে আসে মাত্র ৪০ টাকা। পাঁচ কেজি কাঁচা বাদাম থেকে এক কেজি প্রক্রিয়াজাত কাজু হয়, আর সেই কাজু ঢাকায় বিক্রি হয় ৳১,৬০০–১,৭৫০ কেজি। লাভের বড় অংশটা তাই প্রক্রিয়াকরণের ঘরে থেকে যায়, চাষির ঘরে নয়। আবহাওয়াও সবচেয়ে বড় ঝুঁকি — মুকুল আসার সময় অসময়ের বৃষ্টি বা খরা হলে গোটা বছরের ফলন চলে যায়।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳২০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৮০ – ৳৪০০ / কেজিঅভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
পরিবর্তনশীল খরচ৳৮০ – ৳১৫০ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৫৫% – ৭৭%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১,০৯৫ – ১,৮২৫ দিনঅভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
খরচ উঠে আসার সময়৪৮ – ৮৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র৯০ – ২৭০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২৫% – ৫০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১ – ৬সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • শুকানোর পাকা জায়গা বা ত্রিপল, বস্তা ও সংরক্ষণের শুকনো ঘর। কাজুবাদাম মাসের পর মাস ঘরে রাখা যায়, সেটাই এই ফসলের একটা সুবিধা।যন্ত্রপাতি
  • চারা — কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে বিনা মূল্যে পাওয়া যায়; প্রকল্পটি ১৯ জেলার ৬৬ উপজেলায় চলছে। কফির জন্য বারি কফি-১ (রোবাস্টা) ও বারি কফি-২ (অ্যারাবিকা)।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি বা সরবরাহ করতে হলে লাগে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন — শুধু কাঁচা বাদাম বা কফি বিক্রি করলে লাগে না, কিন্তু নিজে প্রক্রিয়াজাত করে মোড়কে ভরে বিক্রি করলে মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদক হিসেবে নিবন্ধন লাগে। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।লাইসেন্স
  • চারা লাগানো ও প্রথম কয়েক বছরের পরিচর্যা, সার প্রয়োগ, আর সঠিক সময়ে ফল সংগ্রহ ও শুকানো। প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষণ বিনা মূল্যে দেওয়া হয়; প্রশিক্ষণ না নিলে বাদাম ছোট হয় আর ক্রেতা পাওয়া যায় না।দক্ষতা
  • কাঁচা মাল বিক্রির ক্রেতা — স্থানীয় প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠান বা রোস্টারি। দেশে ২২টি বাদাম প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, যার ১৫টি নিয়মিত উৎপাদনে; কফিতে নর্থ এন্ড কফি রোস্টারস, আবুল খায়ের গ্রুপ ও প্রাণ-আরএফএল সরাসরি কিনছে।সরবরাহকারী
  • পাহাড়ের ঢালের জমি, যেখানে জল জমে না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পাহাড়ের প্রায় ৯৮ শতাংশ জমি এখনো অনাবাদি, আর তার বড় অংশেই এই দুটো ফসল হতে পারে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জমি দেখে নিন। পাহাড়ের ঢালে জল জমে না এমন জায়গা লাগে, আর অ্যারাবিকা কফি ভালো হয় ১৮–২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। গরম বেশি হলে গাছ কষ্ট পায়।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে কাজুবাদাম ও কফি প্রকল্পের নাম করে চারা ও প্রশিক্ষণের কথা বলুন। প্রকল্প থেকে বিনা মূল্যে চারা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়; বান্দরবানে ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রায় দুই হাজার কৃষককে কফির চারা দেওয়া হয়েছে।
  3. 3জাত বেছে নিন। বারি কফি-১ (রোবাস্টা) ২০২৩ সালে আর বারি কফি-২ (অ্যারাবিকা) ২০২৫ সালে অবমুক্ত হয়েছে খাগড়াছড়ির পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে।
  4. 4চার-পাঁচ বছর কী খেয়ে চলবেন সেটা আগে ঠিক করুন। গোটা জমিতে একবারে গাছ লাগাবেন না — ম্রোলং পাড়ার চাষিরা আমবাগানের অর্ধেকে কফি লাগিয়েছেন, বাকি অর্ধেক থেকে আয় চালিয়ে গেছেন।
  5. 5চারা লাগান, আর প্রথম দুই-তিন বছর সেচ ও আগাছা সামলান। কাজুবাদামে যত্ন কম লাগে, তবে সার না দিলে বাদামের আকার ছোট হয় আর তখন প্রক্রিয়াজাত কারখানা কিনতে চায় না।
  6. 6মুকুল আসার সময়টা পাহারা দিন। কাজুবাদামে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি ফুল ফোটে আর মে থেকে জুলাই বাদাম সংগ্রহের সময়। ওই সময় অসময়ের বৃষ্টি বা খরা হলে গোটা বছরের ফলন চলে যায়।
  7. 7শুকানোর জায়গা ঠিক করুন। খোলা মাঠে শুকালে মান নষ্ট হয়, আর দুর্গম পাহাড়ে দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করার ব্যবস্থা না থাকলে কফির গুণও পড়ে যায়। কৃষি বিভাগ ইউনিয়ন পর্যায়ে শুকানো ও প্রসেসিং কেন্দ্র বসানোর কথা বলছে — আপনার এলাকায় আছে কি না খোঁজ নিন।
  8. 8কাজুবাদামের খোসা খালি হাতে ছাড়াবেন না — খোসায় উরুশিওল নামের যৌগ থাকে যা চামড়ায় চুলকানি ধরায়।
  9. 9বিক্রির আগে ক্রেতা ঠিক করুন। মধ্যস্বত্বভোগীরা কম দামে কাঁচা বাদাম নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামে পাঠায়; সরাসরি প্রক্রিয়াজাত কারখানা বা রোস্টারির সঙ্গে কথা বললে দাম ভালো পাওয়া যায়।
  10. 10নিজে প্রক্রিয়াজাত করার কথা ভাবলে টাকার হিসাবটা আগে করুন। পাঁচ কেজি কাঁচা বাদাম থেকে এক কেজি কাজু হয়, আর সেই কেজি ঢাকায় ৳১,৬০০–১,৭৫০। কিন্তু বান্দরবানে একটি কারখানা পুঁজির অভাবেই বন্ধ হয়ে গেছে, আর এই খাতে ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় না।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবান্দরবান · দেশের প্রধান কেন্দ্র। ২০২৫-২৬ মৌসুমে সাত উপজেলায় ২,৮০০ হেক্টরে কাজুবাদামের চাষ, ফলন্ত গাছ সাত লাখের বেশি; রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও সদরে সবচেয়ে বেশি। ২০২১–২০২৬ সালে প্রায় দুই হাজার কৃষককে কফির চারা দেওয়া হয়েছে।
  • খুব উপযোগীখাগড়াছড়ি · পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এখানেই — বারি কফি-১ ও বারি কফি-২ এখান থেকেই অবমুক্ত হয়েছে, আর ২০০১ সাল থেকে কফি নিয়ে কাজ চলছে।
  • খুব উপযোগীরাঙ্গামাটি · তিন পার্বত্য জেলার একটি; কাজুবাদাম ও কফির আবাদ বৃদ্ধির বড় অংশ এখানেই হয়েছে।
  • সম্ভবচট্টগ্রাম · পাহাড়ি এলাকায় আবাদ হয় এবং ২০১৬ সালে দেশের প্রথম কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত কারখানা এখানেই চালু হয়েছিল — ক্রেতা কাছে।
  • সম্ভবকক্সবাজার · পাহাড়ি ঢাল ও আবহাওয়া মিলে যায়, আর চট্টগ্রামের কারখানা কাছাকাছি।
  • সম্ভবনীলফামারী · সমতলের যে জেলাগুলোর মাটি কফির উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে তার একটি।
  • সম্ভবরংপুর · সমতলের যে জেলাগুলোর মাটি কফির উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে তার একটি।
  • সম্ভবশেরপুর · গারো পাহাড়ের ঢালে কফি চাষ শুরু হয়েছে এবং মাটি উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে।
  • সম্ভবসিলেট · ২০২১ সাল থেকে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ হচ্ছে।
  • সম্ভবটাঙ্গাইল · মধুপুর গড়ের মাটি কফি চাষের উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: আবহাওয়ায় গোটা বছরের ফলন চলে যেতে পারে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে মার্চ-এপ্রিলে মুকুল আসার সময় বৃষ্টি হওয়ায় রুমার বাগানে সব মুকুল পচে ও ঝরে গেছে, আর বান্দরবানে কৃষি বিভাগকে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ধরতে হয়েছে। অ্যারাবিকা কফি ভালো হয় ১৮–২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, আর গরম বাড়ায় ফলন ও মান দুটোই ব্যাহত হচ্ছে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থা না থাকলে দাম আপনার হাতে থাকে না। বান্দরবানে কিষাণঘর নামের কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত কারখানাটি পুঁজির অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, আর এই খাতে ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় না। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা কম দামে কাঁচা বাদাম কিনে ঢাকা-চট্টগ্রামে পাঠায়। ২০২৬ সালের মে মাসে রুমার চাষিরা বলেছেন, আগের বছরের চেয়ে দাম কমে গেছে এবং ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।
  • কমআইনি বাধ্যবাধকতা: চাষ করতে আলাদা লাইসেন্স লাগে না, কিন্তু নিজে প্রক্রিয়াজাত করে মোড়কে ভরে বিক্রি করলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন লাগবে — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। এটি ছোট ঝুঁকি, তবে অনেকে খেয়াল করেন না।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: প্রকল্প থেকে চারা ও প্রশিক্ষণ বিনা মূল্যে মিললেও সার, সেচ, আগাছা পরিষ্কার আর পাহারার খরচ চার-পাঁচ বছর ধরে নিজের পকেট থেকেই যাবে, আর ওই সময়ে এই জমি থেকে কোনো টাকা আসবে না। ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা নেই বলে অন্য আয় না থাকলে বাগান মাঝপথে ছেড়ে দিতে হয়।
  • বেশিঅন্যান্য: চার-পাঁচ বছরের অপেক্ষাই এখানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। কফিতে প্রথম ফলন আসে তিন-চার বছরে, কাজুবাদামে চার-পাঁচ বছরে, আর প্রথম ফলন খুব সামান্য — ৫০টি গাছ থেকে দশ কেজি, ৭০০ গাছ থেকে ২০ কেজি। এই পুরো সময় জমি আটকে থাকে, আয় থাকে না, অথচ পরিচর্যার খরচ চলতে থাকে। প্রান্তিক চাষির পক্ষে এই সময়টা পার করা কঠিন — কৃষি প্রতিবেদনেই সেটা স্বীকার করা হয়েছে। এক ধাক্কায় পুরো জমিতে গাছ লাগালে সংসার চলবে না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে বান্দরবানের থানচির একজন কাজুবাদামচাষি

গত বছরের ৩,২০০–৩,৭০০ টাকা মণের কাজুবাদাম এবার ১,৭০০ টাকা

থানচির এই চাষির প্রায় ২,০০০ কাজুগাছ থেকে এ মৌসুমে মিলেছে ২০ মণ, বিক্রি হয়েছে মণপ্রতি ১,৭০০ টাকায় — আগের বছর দর ছিল ৩,২০০ থেকে ৩,৭০০ টাকা।

কারণ
দাম পড়ে যাওয়া, চাহিদা কম

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

হাঁস-মুরগির হ্যাচারি

ইনকিউবেটরে ডিম বসিয়ে এক দিনের বাচ্চা ফুটিয়ে খামারিদের কাছে বিক্রি। হাঁসের বাচ্চায় খরচ ৳৩০–৩৫ ও বিক্রি ৳৭২–৭৫, কিন্তু মুরগির বাচ্চার দাম দুই মাসে ৳২৫ থেকে ৳৮৫ আবার ৳৫-এ নেমে আসে।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ১৫ জন
প্রথম আয়
২৮ – ৬০ দিন
বাজারদর
কৃষি ও খামার

অ্যালোভেরা চাষ

ঘৃতকুমারীর পাতা কেটে কোম্পানির কাছে বিক্রি। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাতা বিক্রি ৳১.৫–২.৫ লাখ, কিন্তু ক্রেতা শুধু কয়েকটি ওষুধ ও জুস কোম্পানি।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১২০ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
কৃষি ও খামার

দুধ সংগ্রহ ও সরবরাহ

খামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৭ – ২১ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

অয়েস্টার মাশরুম চাষ

খড়ের প্যাকেটে ঘরের ভেতর চাষ। ২১ দিনে প্রথম ফসল, শহরে চাহিদা বাড়ছে।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳১.২ লাখ
জনবল
১ – ২ জন
প্রথম আয়
২১ – ৩৫ দিন
বাজারদর