মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে একজন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার

১২ দিনের ইন্টারনেট বন্ধে গেল ৫ জন ক্রেতা, আয়ের পুরো ভিত্তি

মাত্র তিনজন নিয়মিত ক্রেতা থেকেই আসত মাসে ১,০০০–১,৫০০ ডলার। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ১২ দিনের ইন্টারনেট বন্ধে পাঁচজন ক্রেতা হারান, নতুন তিনটি যোগাযোগেরও উত্তর দেওয়া যায়নি।

এই ফ্রিল্যান্সারের পুরো আয়টাই আসত মাত্র তিনজন নিয়মিত ক্রেতার কাছ থেকে, মাসে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ১২ দিনের ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যে তিনি পাঁচজন ক্রেতা হারান, যাঁদের একজন ছিলেন স্থায়ী — দুই মাসের কাজে তাঁর কাছ থেকেই আয় হয়েছিল ১,৬০০ ডলার। ওই সময়েই নতুন তিনজন ক্রেতা যোগাযোগ করেছিলেন, উত্তর দিতে না পারায় তাঁরাও চলে যান। তিনি সংবাদপত্রকে বলেছেন, এমন মানের ক্রেতা আবার জোগাড় করতে এক বছরের বেশি সময় লেগে যেতে পারে। হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতার ওপর পুরো আয় দাঁড় করানোই এখানে আসল দুর্বলতা ছিল। তাঁর জেলা, শুরুর পুঁজি বা ইন্টারনেট ফেরার পর আয় কত দাঁড়িয়েছে, প্রতিবেদনে তা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.তিনজন ক্রেতার ওপর পুরো আয় দাঁড়ালে ১২ দিনেই সেই ভিত্তি মুছে যেতে পারে — ক্রেতার সংখ্যা কম রাখাই এখানে আসল ঝুঁকি
  2. ২.পুরোনো ক্রেতার জায়গা পূরণ হতে সময় লাগে — তিনি নিজেই ধরেছেন এক বছরের বেশি, সেটাই ১২ দিনের বন্ধের আসল দাম

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।