মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার একজন মধু সংগ্রহকারী উদ্যোক্তা

কুয়াশায় মৌমাছি বের হয়নি, প্রতি বাক্সে দাম কমল ২ হাজার টাকা

১৫০টি বাক্স থেকে স্বাভাবিক সপ্তাহে ১০ মণ, প্রায় ৮০০ কেজি মধু ওঠে, দাম ১,৩০,০০০ টাকা। কুয়াশা আর ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রায় মৌমাছি বাক্সেই আটকে থাকায় ১০,০০০ টাকার বাক্সের দাম কমেছে প্রায় ২,০০০ টাকা।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার আলী গ্রামের এই উদ্যোক্তা সরিষাখেতের পাশে নিজের প্রতিষ্ঠানের ১৫০টি মৌবাক্স বসান, প্রতিটি বাক্সে ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ মৌমাছি। স্বাভাবিক সপ্তাহে এই বাক্সগুলো থেকে ১০ মণ, অর্থাৎ প্রায় ৮০০ কেজি মধু ওঠে, যার দাম ১,৩০,০০০ টাকা। কিন্তু এই শীতে ঘন কুয়াশা আর সর্বনিম্ন ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রায় মৌমাছি বাক্স থেকেই বের হয়নি — তাঁর ভাষায়, "কুয়াশার কারণে মৌমাছি বের হচ্ছে না।" ফুল থেকে মধু আনা যেমন বন্ধ, তেমনি বংশবৃদ্ধিও হয়নি; ফলে যে বাক্স সাধারণত ১০,০০০ টাকায় বিক্রি হয়, তার দাম কমেছে প্রায় ২,০০০ টাকা করে — ক্ষতিটা তাই শুধু আয়ের নয়, সম্পদেরও। উপজেলার ২৪,৬০৫ হেক্টর সরিষাখেত ঘিরে ১২৭টি মধু সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি মৌসুমে ২,০০,০০০ কেজি মধুর আশা করেছিল, যার দাম ৫–৬ কোটি টাকা; কুয়াশা সেই হিসাব অনিশ্চিত করে দিয়েছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.সরিষার মধু পুরোপুরি আবহাওয়ার ওপর বাজি — কুয়াশার শীতে মৌমাছি বাক্স ছাড়ে না, কিছু করার থাকে না
  2. ২.খারাপ মৌসুমে শুধু আয় যায় না, কলোনিও দাম হারায় — ১০ হাজার টাকার বাক্স থেকে ২ হাজার টাকা

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।