মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেফরিদপুর পৌরসভার শোভারামপুরের এক নারী উদ্যোক্তা · ২০১৭ সালে শুরু

৩টি রিংস্লাব থেকে ৩৬টি চৌবাচ্চা: কেঁচো সারে মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা আয়

ফরিদপুর পৌরসভার এক গৃহিণী ২০১৭ সালে কৃষি বিভাগের সহায়তায় তিনটি রিংস্লাবে কেঁচো সার তৈরি শুরু করেন। এখন তিনটি শেডে ৩৬টি চৌবাচ্চায় মাসে ১২–১৫ টন সার বানিয়ে প্রায় এক লাখ টাকা আয় করছেন, কাজ করছেন ৫–৬ জন শ্রমিক।

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরিদপুর পৌরসভার শোভারামপুরের এই নারীর সংসার স্বামীর রোজগারে চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। একদিন ইউটিউবে জৈব সার তৈরির প্রক্রিয়া দেখে আগ্রহ জন্মায়। এরপর স্থানীয় কৃষি বিভাগের সঙ্গে কথা বলে প্রশিক্ষণ নেন এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০১৭ সালে মাত্র তিনটি রিংস্লাব দিয়ে কেঁচো সার বানানো শুরু করেন। ধাপে ধাপে বাড়িয়েছেন: প্রথমে এক শেডে ১২টি, পরে একটি ছাপড়ায় আরও ১২টি হাউস; এখন বাড়ির উঠানে তিনটি টিনের শেডে ৪ ফুট বাই ১০ ফুটের ৩৬টি চৌবাচ্চা। প্রতিটি হাউসে ৪০ মণ গোবর, সবজির উচ্ছিষ্ট ও কলাগাছের টুকরো মিশিয়ে ১০ কেজি কেঁচো ছাড়া হয়, চটের বস্তায় ঢেকে এক মাস রাখলে সার তৈরি হয়। এখন তিনি মাসে ১২ থেকে ১৫ টন জৈব সার উৎপাদন করেন এবং তাঁর ভাষায় মাসে প্রায় এক লাখ টাকা আয় হচ্ছে। এলাকার চাষিরা তাঁর কাছ থেকে সার কেনেন; এক স্থানীয় চাষি বলেছেন, রাসায়নিক সারের তুলনায় জৈব সারের দাম কম আর ফলনও ভালো পাচ্ছেন। সার এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলাতেও যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে ৫–৬ জন শ্রমিক কাজ করছেন, স্বামীও সহযোগিতা করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁরা মাঝেমধ্যে খামারে গিয়ে পরামর্শ দেন, আর তাঁর দেখাদেখি অনেকেই এখন এই সার বানানো শুরু করেছেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.ছোট করে শুরু করুন (যেমন তিনটি রিংস্লাব), হাতে-কলমে শিখে চাহিদা বুঝে তারপর হাউস বাড়ান।
  2. ২.স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পরামর্শ নিন; এতে মান ঠিক থাকে আর চাষিদের আস্থাও বাড়ে।
  3. ৩.প্রথম ক্রেতা আশপাশের চাষিরাই; রাসায়নিক সারের চেয়ে কম দামে ভালো ফল দিতে পারলে তাঁরাই নিয়মিত খদ্দের হন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।