৪০ শতক জমিতে গমে ৬ হাজার টাকা লাভ, এবার জমি বাড়াচ্ছেন
ফটিকছড়ির এই চাষি গত বছর ৪০ শতক জমিতে গম করে প্রায় ৬,০০০ টাকা লাভ পেয়েছেন; এবার জমি বাড়াচ্ছেন। উপজেলায় গমের আবাদ ২৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ৪০ হেক্টর।
চট্টগ্রামে গম চিরকালের ফসল নয়, আবহাওয়াও পুরোপুরি মানানসই নয়। তবু ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের এই চাষি ভুট্টার জমি কমিয়ে গমে যাচ্ছেন। তাঁর ভাষায়, "গত বছর ৪০ শতাংশ জমিতে গম চাষে প্রায় ৬ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল।" এবার তাই জমি বাড়াচ্ছেন। একই প্রতিবেদনে রাঙ্গুনিয়ার একজন চাষি ৩০ শতকে ৬ মণ গম পেয়ে জমি ৬০ শতকে নিয়ে যাচ্ছেন, আর বাঁশখালীর একজন গত বছর ১০,০০০–১২,০০০ টাকা লাভ পেয়েছেন। মাঝ নভেম্বরে বোনা হয় বারি-৩৩, বিডব্লিউএমআরআই-১ ও বিডব্লিউএমআরআই-২ — হেক্টরে ফলন ৪ থেকে ৫ টন, আর এর কিছু জাত কর্ণফুলী-হালদার পাড়ের লবণপানি সহ্য করতে পারে, যে লবণপানি অন্য ফসলের ফলন কমিয়ে দিচ্ছিল। কৃষি কার্যালয় বিনা মূল্যে বীজ-সার দিয়ে এই বদলটা উৎসাহিত করছে; ফটিকছড়িতে গমের আবাদ ২৫ হেক্টর থেকে ৪০ হেক্টরে যাচ্ছে, আর জেলায় এবারের রবি মৌসুমের লক্ষ্য ৯৫ হেক্টরে ২৮৫ টন।
যা শেখার আছে
- ১.নতুন ফসল আগে জমির ছোট একটা অংশে পরীক্ষা করুন — ৪০ শতকে ৬ হাজার টাকা লাভই জমি বাড়ানোর যথেষ্ট প্রমাণ, আর ব্যর্থ হলেও ক্ষতিটা বহনযোগ্য
- ২.গম এখানে জায়গা পেয়েছে কারণ এর কিছু জাত লবণপানি সহ্য করে — বিঘাপ্রতি বেশি আয়ের জন্য নয়; আপনার জমির যে সমস্যা, ফসল বাছুন সেটা ধরে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
