সাইকেল ও রিকশা মেরামত
রাস্তার পাশে ছোট দোকানে সাইকেল, রিকশা ও ই-রিকশা মেরামত। যন্ত্রপাতি ও মালের দাম মিলিয়ে ৳১৫,০০০ থেকেই শুরু করা যায়, আর খদ্দের কাজ শেষে নগদ টাকা দিয়ে যান।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

সাইকেল ও রিকশা মেরামত
- শুরুর পুঁজি
- ৳১৫,০০০ – ৳১,২০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ২ – ৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
রাস্তার ধারে একটা ছোট দোকান, একটা পাম্প, কয়েকটা রেঞ্চ আর একটা টায়ার-টিউবের বাক্স — সাইকেল ও রিকশা মেরামতের কাজ এইটুকু দিয়েই শুরু হয়। পুঁজি যত কম লাগে, এমন কাজের দক্ষতা বাংলাদেশে আর বেশি নেই। কাজ আসে নিজে থেকেই: চাকা পাংচার, চেইন পড়ে যাওয়া, ব্রেক ধরে না, বিয়ারিং ক্ষয়, স্পোক ভাঙা। খদ্দের কাজ শেষে হাতে হাতে টাকা দিয়ে চলে যান, তাই বাকির ঝামেলা প্রায় নেই। আয়ের দ্বিতীয় অংশ আসে যন্ত্রাংশ বিক্রি থেকে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনলাইনে ২৬ ইঞ্চি সাইকেল-রিকশার টিউব ৳২২১–৩৩৫ আর টায়ার ৳৪৮৫–৬০০ দরে বিক্রি হচ্ছিল। ব্যাটারিচালিত রিকশার ডিসি মোটর কিটসহ ৳১০,৩৫০–১০,৫০০। দোকানে এখন শুধু প্যাডেল রিকশা আসে না। গ্রামে-শহরে ব্যাটারির রিকশা আর ইজিবাইকই বেশি, আর সেগুলোর মোটর, কন্ট্রোলার ও তারের কাজ শিখলে একই দোকান থেকে অনেক বেশি আয় হয়। তবে এই দিকটায় নিয়ম বদলাচ্ছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ই-রিকশার আলাদা বিধিমালা হচ্ছে, নিবন্ধন দেবে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা, ফিটনেস সনদ লাগবে, আর সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্যভাবে রিচার্জ করলে নিবন্ধন দেওয়া বা নবায়ন করা হবে না। ঢাকাকে আটটি জোনে ভাগ করে প্রতিটি জোনের রিকশার আলাদা রং করার পরিকল্পনাও আছে। এই নিয়ম কার্যকর হলে গ্যারেজে রিচার্জের কাজ কমবে, কিন্তু ফিটনেসের জন্য মেরামতের কাজ বাড়বে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৮,০০০ – ৳৪০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২২১ – ৳৬০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৮৮ – ৳৪২০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ১৫% – ৩০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২ – ৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩ – ১২ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- পাম্প, রেঞ্চ ও স্প্যানার সেট, চেইন টুল, স্পোক কি, টায়ার লিভার, ভাইস, হাতুড়ি, প্লায়ার্স আর সলিউশন-প্যাচ। ১৬-ইন-১ সাইকেল মেরামতের কিট দারাজে ৳১৭২ থেকে শুরু।যন্ত্রপাতি
- টিউব ৳২২১–৩৩৫, টায়ার ৳৪৮৫–৬০০ (২৬ ইঞ্চি, দারাজ ১৬-০৯-২০২৬), চেইন, বিয়ারিং, বল, স্পোক, ব্রেক শু। ব্যাটারির কাজ করলে ডিসি মোটর কিটসহ ৳১০,৩৫০–১০,৫০০।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু হয়, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
- চাকা খোলা-লাগানো, স্পোক টাইট করে রিম সোজা করা, চেইন ও ব্রেক ঠিক করা, বিয়ারিং বদলানো। ব্যাটারির রিকশার জন্য বাড়তি: মোটর, কন্ট্রোলার ও তারের কাজ।দক্ষতা
- যন্ত্রাংশের পাইকারি দোকান — পুরান ঢাকার বংশাল দেশের বড় বাজার; জেলা শহরে স্থানীয় পার্টস মার্কেট।সরবরাহকারী
- রাস্তার ধারে ১০০–২০০ বর্গফুটের একটা দোকান বা টিনের ছাউনি, সামনে গাড়ি রাখার জায়গা সহ। ফুটপাত বা সরকারি জায়গায় বসলে উচ্ছেদের ঝুঁকি থাকে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1রিকশা-ইজিবাইকের গ্যারেজ, বাজারের মোড় বা স্কুলের রাস্তা — যেখানে দিনে অনেক চাকা যায়, সেখানে জায়গা দেখুন। মেরামতের দোকানে খদ্দের হেঁটে আসে না, ঠেলে আনে, তাই দূরত্বই সব।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০ আর ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি। সাধারণত ৩–৫ কার্যদিবস লাগে।
- 3মূল যন্ত্রপাতি কিনুন: পাম্প, রেঞ্চ ও স্প্যানার সেট, চেইন টুল, স্পোক কি, টায়ার লিভার, সলিউশন-প্যাচ আর একটা ভাইস। দারাজে ১৬-ইন-১ সাইকেল মেরামতের কিট ৳১৭২ থেকেই পাওয়া যায়।
- 4প্রথম মাল তুলুন — টিউব, টায়ার, চেইন, বিয়ারিং, বল, স্পোক, ব্রেক শু আর প্যাডেল। যেটা সবচেয়ে বেশি নষ্ট হয় সেটাই বেশি রাখুন; বাকিটা চাহিদা এলে আনুন।
- 5পাইকারি সরবরাহকারী ঠিক করুন। পুরান ঢাকার বংশাল দেশের বড় সাইকেল ও রিকশা যন্ত্রাংশের বাজার; জেলা শহরে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট মোড়েই সব পার্টসের দোকান থাকে।
- 6মজুরির একটা তালিকা ঠিক করে দোকানে টাঙিয়ে দিন — পাংচার কত, চেইন কত, ব্রেক কত। দর নিয়ে তর্ক কমে আর একই কাজে দুই দাম নেওয়ার অভিযোগ ওঠে না।
- 7ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের মোটর, কন্ট্রোলার আর তারের কাজ শিখুন। এখানেই এখন কাজের পরিমাণ ও মজুরি দুটোই বেশি — একটা ডিসি মোটর কিটসহ ৳১০,৩৫০–১০,৫০০।
- 8আশপাশের গ্যারেজ মালিকদের সঙ্গে কথা বলুন। একটা গ্যারেজে ২০–৫০টি রিকশা থাকে, আর সেই কাজ নিয়মিত পেলে দোকানের আয় স্থির হয়। তবে বাকির শর্ত আগেই ঠিক করে নিন।
- 9ই-রিকশার নতুন নিয়ম কী দাঁড়ায় তা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে জেনে নিন। নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ চালু হলে ফিটনেসের জন্য মেরামতের কাজ বাড়বে, আর সৌরবিদ্যুতের শর্ত এলে গ্যারেজের রিচার্জের কাজ কমবে।
- 10প্রতিদিনের কাজ আর মালের হিসাব খাতায় লিখুন। কোন পার্টস কত দ্রুত ফুরায় তা জানা থাকলে অকারণে টাকা আটকে থাকে না।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনবেশি
- জুলাইবেশি
- আগস্টবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; ছোট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের কারখানা ও বাজার দুটোই আছে।
- খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সবচেয়ে বড় রিকশা ও ইজিবাইকের বহর এখানেই, আর পুরান ঢাকার বংশালে যন্ত্রাংশের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার শ্রমিকদের যাতায়াতে সাইকেল ও ইজিবাইকের ব্যবহার বেশি।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি আর কারখানার এলাকা; শ্রমিকেরা সাইকেল ও রিকশায় যাতায়াত করেন।
- খুব উপযোগীরংপুর · উত্তরাঞ্চলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানই প্রধান বাহন, প্রতিটি উপজেলা শহরেই বড় বহর।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়ক ও বাজার ঘিরে ইজিবাইকের বহর বড়।
- সম্ভবযশোর · সাইকেল ব্যবহারের হার বেশি, বিশেষত গ্রামীণ যাতায়াতে।
- সম্ভবকুষ্টিয়া · ইজিবাইক ও ভ্যানের ঘনত্ব বেশি, আর আশপাশের উপজেলা শহরে দোকান কম।
- সম্ভবময়মনসিংহ · শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সাইকেলের ব্যবহার বেশি।
- কম উপযোগীসিলেট · ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিয়ে শহরে টানাপোড়েন চলছে, তাই কাজের পরিমাণ অনিশ্চিত।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ব্যাটারিচালিত রিকশার নিয়ম বদলাচ্ছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ই-রিকশার আলাদা বিধিমালা হচ্ছে, নিবন্ধন দেবে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা, ফিটনেস সনদ লাগবে আর সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া রিচার্জ করলে নিবন্ধন দেওয়া বা নবায়ন হবে না। ঢাকাকে আট জোনে ভাগ করে আলাদা রং ও জিও-ফেন্সিংয়ের পরিকল্পনাও আছে। যে দোকানের আয়ের বড় অংশ ব্যাটারির রিকশা থেকে আসে, তার কাজের ধরন এতে বদলে যাবে।
- মাঝারিচাহিদা: ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধ বা সীমিত করার দাবি বারবার উঠছে, আর সিলেটসহ কয়েকটি শহরে এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ হয়েছে। কোনো শহরে ই-রিকশা বন্ধ হয়ে গেলে সেখানকার মেরামতের দোকানের কাজ রাতারাতি কমে যায়।
- মাঝারিচলতি মূলধন: টাকা আটকে থাকে মালে। যে মাপের টায়ার, চেইন বা বিয়ারিং কম চলে, সেটা মাসের পর মাস বাক্সে পড়ে থাকে। একটা ডিসি মোটর তুলতে ৳১০,৫০০ লাগে; সেটা বিক্রি না হলে ছোট দোকানের পুরো নগদ আটকে যায়।
- মাঝারিঅন্যান্য: জায়গার ঝুঁকি। এই দোকান বেশির ভাগ সময় ভাড়া করা টিনের ছাউনি, ফুটপাত বা রাস্তার ধারে বসে। সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান বা জমির মালিক জায়গা ফেরত চাইলে পুরো দোকান তুলে নিতে হয়, আর খদ্দের জায়গা ধরেই আসে বলে সরে গেলে তারা হারিয়ে যায়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
সারাইয়ের কারিগর থেকে গ্যারেজ মালিক, রিকশাপ্রতি মাসে ১ হাজার টাকার টোকেন
ব্যাটারিচালিত রিকশায় দৈনিক জমা ৩০০ টাকা, সাধারণ রিকশায় ১০০ — এই ফারাক দেখে সারাইয়ের কারিগর গ্যারেজ খোলেন; কিন্তু চলার জন্য প্রতিটি রিকশার মাসিক ১ হাজার টাকার টোকেন কিনতে হয়।
- কারণ
- আইনি জটিলতা, চলতি মূলধন
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাগজের ঠোঙা ও প্যাকেজিং
বর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ১৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবাঁশ ও বেতের হস্তশিল্প
বাঁশ-বেত চিরে কুলা, ঝুড়ি, খাঁচা ও পর্যটকের কারুপণ্য বোনা। একটি ভালো বাঁশ ৳৪০০–৫০০, তা থেকে পাঁচ দিনে ১৫–২০টি কুলা; হাঁস-মুরগির খাঁচা কারিগর পান ৳১৮০, দোকানি বেচেন ৳২০০।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৫ – ৩০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনকশি কাঁথা
কাপড় স্তরে স্তরে সাজিয়ে সুই-সুতায় নকশা তোলা কাঁথা। জামালপুরে মজুরিসহ খরচ ৳১,৬০০–১,৮০০, ঢাকার পাইকারকে বিক্রি ৳২,০০০, আর ঢাকার দোকানে সেটাই ৳৪,০০০–৫,০০০।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৩৬৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমোমবাতি ও সাবান তৈরি
অল্প পুঁজিতে ছোট কারখানায় মোমবাতি ও সাবান তৈরি। সাবান বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় — সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করা যাবে না; মোমবাতি তালিকার বাইরে।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ১৯ – ৯৪ দিন
