মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

জিম ও ফিটনেস সেন্টার

ভাড়া ঘরে যন্ত্র বসিয়ে মাসিক বা বার্ষিক ফি-তে সদস্য নেওয়ার ব্যবসা। টাকা আসে আগে, খরচ চলে সারা বছর; সদস্য ধরে রাখার হারই সব ঠিক করে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
জিম ও ফিটনেস সেন্টার

জিম ও ফিটনেস সেন্টার

শুরুর পুঁজি
৳২,৫০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৫ – ১৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ঘর ভাড়া নিয়ে যন্ত্র বসিয়ে মাসিক বা বার্ষিক ফি-তে সদস্য ভর্তি করা। এই ব্যবসার টাকা আগে আসে, সেবা পরে দেওয়া হয় — সদস্য মাসের বা বছরের টাকা শুরুতেই দিয়ে দেন। শুনতে ভালো, কিন্তু বিপদও এখানেই: টাকা হাতে এলে মনে হয় লাভ হয়েছে, অথচ ওই টাকার বিপরীতে সারা বছর ঘরভাড়া, বিদ্যুৎ, প্রশিক্ষকের বেতন আর যন্ত্রের মেরামত চালিয়ে যেতে হবে। যন্ত্রের দাম জানা যায়। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দারাজে মোটরচালিত ট্রেডমিল ৳২৮,০০০–৪৮,০০০, হাতে চালানো ট্রেডমিল ৳১২,০০০–১৫,০০০, এক স্টেশনের মাল্টি জিম ৳৪২,০০০–৬৫,০০০, পাঁচ স্টেশনের মাল্টি জিম ৳১,৩০,০০০, পুল-আপ ও ডিপ স্টেশন ৳১৭,৫০০–২১,৫৯০, আর ৫ কেজি হেক্স ডাম্বেল ৳১,০৯০ (বিক্রেতা স্পোর্টস ভিশন, ফিটনেস মার্ট, স্পোর্টস ৩৬০)। যে সংখ্যাটা কেউ প্রকাশ করে না তা হলো সদস্য ধরে রাখার হার। একটি জিম লাভে থাকবে না লোকসানে, সেটা ঠিক করে ভর্তি হওয়া সদস্যদের কতজন তিন মাস পরেও আসেন — আর বাংলাদেশে এই হারের কোনো প্রকাশিত হিসাব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই এই পাতায় সদস্যপদের ফি বা লাভের হার কোনোটাই দেওয়া হলো না; যন্ত্রের দাম দেওয়া হলো, কারণ ওইটুকুই যাচাই করা গেছে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৮০,০০০ – ৳৫,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৬০ – ৳১২০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳১০ – ৳২৫ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৭৯.২% – ৮৩.৩%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৫ – ১৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ দিনবাজারদর
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৮%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৩০০ – ৩৫০বাজারদর

শুরু করতে যা লাগবে

  • কার্ডিও ও ওজনের যন্ত্র। দারাজ বাংলাদেশে ১৬-০৯-২০২৬ তারিখের তালিকাভুক্ত দাম: মোটরচালিত ট্রেডমিল ২ এইচপি ৳২৮,০০০ ও ৩ এইচপি ওয়াকিং প্যাড ৳২৯,০০০ (স্পোর্টস ভিশন), টি৬০০সি ট্রেডমিল ৳৪৮,০০০, ডিকে-৪০এএ ট্রেডমিল ৳৩৫,০০০–৩৯,৫০০, হাতে চালানো ট্রেডমিল ৳১২,০০০–১৫,০০০; এক স্টেশনের মাল্টি জিম ৳৪২,০০০ (স্পোর্টস ভিশন) ও ৳৫০,০০০–৬৫,০০০ (ফিটনেস মার্ট); পাঁচ স্টেশনের মাল্টি জিম ৳১,৩০,০০০ (স্পোর্টস ভিশন); চিন-আপ ও ডিপ পাওয়ার টাওয়ার ৳১৭,৫০০–২১,৫৯০ (সিটিজেন স্পোর্টস, স্পোর্টস ৩৬০); ৫ কেজি হেক্স ডাম্বেল ৳১,০৯০ ও ২.৫ কেজি ৳৫৪০–১,০৮৮; ১০ কেজি প্লেট ও ৩ ফুট বারবেলের কম্বো ৳১,৯১৭।যন্ত্রপাতি
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু। জিম বা ফিটনেস সেন্টারের জন্য আলাদা কোনো সরকারি লাইসেন্স বা প্রশিক্ষক সনদায়নের ব্যবস্থা এই গবেষণায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।লাইসেন্স
  • প্রশিক্ষিত ট্রেইনার। সদস্যরা নিজেরাই বলেন, ভালো মানের কার্ডিও ও ওয়েট মেশিন এবং প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে গ্রুপ ক্লাস — এই দুটোই জিম বাছাইয়ের প্রধান বিবেচনা। ষাটোর্ধ্ব সদস্যদের ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস ও হরমোনের সমস্যা থাকে, তাই কাকে কী করানো যাবে তা জানা জরুরি।দক্ষতা
  • যন্ত্রের বিক্রেতা ও মেরামতকারী। দারাজে স্পোর্টস ভিশন, ফিটনেস মার্ট, সিটিজেন স্পোর্টস, স্পোর্টস ৩৬০ ও স্পোর্টস-হাউসের মতো বিক্রেতারা নিয়মিত জিমের যন্ত্র বিক্রি করে। বেল্ট, কেবল ও পুলির মতো যন্ত্রাংশ কোথায় পাওয়া যাবে তা কেনার আগেই জেনে নিন।সরবরাহকারী
  • শক্ত মেঝের অন্তত ৮০০–১,২০০ বর্গফুট জায়গা, উঁচু ছাদ, আয়না, ফ্যান বা এসি, বদলানোর ঘর ও শৌচাগার। নারী সদস্য নিতে চাইলে আলাদা সেকশন বা আলাদা সময়ের ব্যবস্থা — ঢাকার বসুন্ধরা শপিং মলের অ্যাডোনাইজ ফিটনেস সেন্টারে নারী ও পুরুষের জন্য দুটি আলাদা সেকশন আছে। জায়গার ভাড়া বা অগ্রিমের কোনো দর এই গবেষণায় পাওয়া যায়নি।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জায়গা দেখুন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, অফিসপাড়া বা ঘন আবাসিক এলাকার হাঁটা দূরত্বে হতে হবে — মানুষ দূরের জিমে দুই সপ্তাহ যায়, তারপর যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
  2. 2ঘরটা মাপুন আর মেঝে দেখুন। ওজনের যন্ত্র ভারী, তাই মেঝে শক্ত হতে হবে; ছাদ নিচু হলে ট্রেডমিলে দৌড়ানো যায় না।
  3. 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ভবনমালিকের লিখিত অনুমতি নিন — আবাসিক ভবনে শব্দ ও কম্পন নিয়ে অভিযোগ আসে।
  4. 4যন্ত্র কিনুন ধাপে ধাপে। শুরুতে কার্ডিও (ট্রেডমিল, সাইকেল) আর একটা মাল্টি স্টেশন, সঙ্গে ডাম্বেল ও প্লেট। ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে দারাজে মোটরচালিত ট্রেডমিল ৳২৮,০০০, এক স্টেশনের মাল্টি জিম ৳৪২,০০০–৫০,০০০, পাঁচ স্টেশনের ৳১,৩০,০০০।
  5. 5আয়না, ফ্যান বা এসি, বদলানোর ঘর আর পানির ব্যবস্থা করুন। নারীদের জন্য আলাদা সেকশন বা আলাদা সময় রাখলে সদস্যের সংখ্যা বাড়ে — ঢাকার বড় জিমগুলো এভাবেই করে।
  6. 6প্রশিক্ষক নিন এবং তাঁর প্রশিক্ষণের সনদ দেখে নিন। ভুল ভঙ্গিতে ওজন তোলালে সদস্য আহত হন আর আর ফিরে আসেন না।
  7. 7ফি-র প্যাকেজ ঠিক করুন — ভর্তি ফি, মাসিক, তিন মাস, ছয় মাস ও বছর। সব শর্ত কাগজে লিখে দিন; গোপন ফি নিয়ে অভিযোগই সদস্য হারানোর বড় কারণ।
  8. 8বিনা মূল্যে এক দিনের ট্রায়াল দিন। বাংলাদেশের জিমগুলোতে এটি পরিচিত চল, আর সদস্য ভর্তির আগে ঘুরে দেখাটাই তাঁদের সিদ্ধান্ত বদলে দেয়।
  9. 9উপস্থিতির খাতা রাখুন, প্রতিদিন। কে ভর্তি হলো তার চেয়ে জরুরি কে তিন মাস পরেও আসছে — এই খাতাটাই আপনার ব্যবসার আসল হিসাব, আর এটা আপনাকেই বানাতে হবে কারণ কেউ প্রকাশ করে না।
  10. 10যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মাসে টাকা সরিয়ে রাখুন। ট্রেডমিলের বেল্ট ও মোটর, কেবল ও পুলি নিয়মিত বদলাতে হয়, আর নষ্ট যন্ত্র মানেই সদস্য চলে যাওয়া।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও অফিসপাড়া মিলে নিয়মিত সদস্য মেলে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · মালিবাগের ফিটনেস বাংলাদেশ, সিদ্ধেশ্বরীর কমব্যাট জিম, বসুন্ধরা শপিং মলের অ্যাডোনাইজ — সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে ভিড় বাজার, প্রতিযোগিতাও সবচেয়ে বেশি।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; বড় জিম কম, তাই জায়গা আছে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · মাঝারি শহর, প্রবাসফেরত পরিবারের তরুণেরা প্রধান খদ্দের।
  • সম্ভবগাজীপুর · তরুণ শ্রমিক ও শিক্ষার্থীর ঘনত্ব বেশি; কম দামের প্যাকেজে সদস্য পাওয়া যায়।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রধান সদস্য।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ ঘিরে তরুণ জনসংখ্যা।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, ক্রয়ক্ষমতাসম্পন্ন তরুণ জনগোষ্ঠী আছে।
  • সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় শহর, শিক্ষাবর্ষ ধরে সদস্য ভর্তি ও ছুটিতে ভাটা।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, বার্ষিক প্যাকেজ বিক্রি সহজ।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: সদস্য ভর্তি হন, তারপর আসা বন্ধ করে দেন — আর এই হারটাই কেউ প্রকাশ করে না। দেশ রূপান্তরের লেখায় বলা হয়েছে, অনেকে জিম শুরু করে আশানুরূপ ফল না পেয়ে ছেড়ে দেন, কারণ স্টেরয়েড ছাড়া একজন নতুন মানুষের মাসে সর্বোচ্চ ১.৫–২ পাউন্ড পেশি বাড়ে, অথচ ইউটিউবে তিন-ছয় মাসে বিশাল পরিবর্তন দেখানো হয়। বছরের ফি একবারে নেওয়া থাকলে ওই সদস্য চলে গেলেও টাকাটা থেকে যায়, কিন্তু পরের বছর তিনি আর ভর্তি হন না — লোকসান এক বছর পিছিয়ে আসে।
  • বেশিচলতি মূলধন: আগে নেওয়া টাকা খরচ করে ফেলার ফাঁদ। বার্ষিক ফি হাতে এলে সেটা লাভ মনে হয়, কিন্তু ওই টাকার বিপরীতে বারো মাস ঘরভাড়া, বিদ্যুৎ, প্রশিক্ষকের বেতন ও যন্ত্রের মেরামত চালাতে হবে। নতুন ভর্তি কমে গেলে পুরোনো সদস্যদের টাকা দিয়ে চলা জিম হঠাৎ থেমে যায়।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: যন্ত্র ও প্রশিক্ষক — দুটোর যেকোনো একটি নষ্ট হলে সদস্য চলে যান। একটি ট্রেডমিল দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকলে যাঁরা শুধু দৌড়াতে আসেন তাঁরা আর ফেরেন না। জনপ্রিয় প্রশিক্ষক চলে গেলে তাঁর সঙ্গে সদস্যরাও যান, কারণ সম্পর্কটা জিমের সঙ্গে নয়, মানুষটির সঙ্গে।
  • মাঝারিঅন্যান্য: নিরাপত্তা ও সুনামের ঝুঁকি বাস্তব। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি ব্যায়ামাগারে গোপনে ভিডিও ধারণের ঘটনা ২০২৬ সালে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এক ঘটনাতেই নারী সদস্যরা সবাই চলে যেতে পারেন, আর পাড়ার জিমে সুনাম ফেরানো প্রায় অসম্ভব। বদলানোর ঘর ও নারী সেকশনের নিরাপত্তা তাই খরচ নয়, ব্যবসার শর্ত।
  • কমআইনি বাধ্যবাধকতা: আলাদা লাইসেন্স না থাকাটাও ঝুঁকি। জিম বা প্রশিক্ষকের জন্য কোনো সরকারি অনুমোদন বা সনদায়নের ব্যবস্থা এই গবেষণায় পাওয়া যায়নি, অর্থাৎ যে কেউ জিম খুলতে পারেন। ফলে প্রতিযোগিতা সস্তা ও অগোছালো হয়, আর দাম নিচের দিকে নামতে থাকে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের একজন জিম মালিক ও বডিবিল্ডিং কোচ

শহরে চার শাখা, উপজেলায় দুটি যেখান থেকে কোনো আয় আসে না — নাম এসেছে কোচিং থেকে

২০০২ সালে বহদ্দারহাটে প্রথম জিম; এখন চট্টগ্রাম শহরে চারটি শাখা আর পটিয়া-চন্দনাইশে দুটি, যেগুলো থেকে কোনো আয় আসে না। প্রায় ৫০০ জন শরীরচর্চাকারী তৈরি হয়েছেন, প্রশিক্ষণে আছেন আরও অন্তত ১৫০ জন।

কারণ
ভালো মান, ভালো যোগাযোগ

একই রকম আরও ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ডে-কেয়ার সেন্টার

কর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।

পুঁজি
৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
৩ – ১২ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

কিন্ডারগার্টেন স্কুল

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নিবন্ধন ফি ৳৮,০০০–১৫,০০০, সংরক্ষিত তহবিলে স্থায়ী আমানত ৳২৫,০০০–১,০০,০০০, নিবন্ধনের মেয়াদ ৫ বছর।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
জনবল
৭ – ১৫ জন
প্রথম আয়
৬০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

আইপিএস ও ব্যাটারি বিক্রি ও সার্ভিসিং

আইপিএস বসানো আর ব্যাটারি বদলানোর দোকান। মেশিন একবার বিক্রি হয়, ব্যাটারি প্রতি ১৮–৩০ মাসে আবার — আর পুরো সেটের দামের বেশির ভাগটাই ব্যাটারির।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

জেনারেটর ভাড়া

ডিজেল জেনারেটর কিনে ঘণ্টা, দিন বা মাস হিসেবে ভাড়া দেওয়া। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ১০০ কেভিএ সেটের দাম ৳৭,৯৫,০০০, আর ডিজেল ৳১৩৫ লিটার হওয়ায় শুধু জ্বালানিতেই ইউনিটপ্রতি প্রায় ৳৪২ পড়ে।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳৯ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৪৫ দিন
বাজারদর