শহরে চার শাখা, উপজেলায় দুটি যেখান থেকে কোনো আয় আসে না — নাম এসেছে কোচিং থেকে
২০০২ সালে বহদ্দারহাটে প্রথম জিম; এখন চট্টগ্রাম শহরে চারটি শাখা আর পটিয়া-চন্দনাইশে দুটি, যেগুলো থেকে কোনো আয় আসে না। প্রায় ৫০০ জন শরীরচর্চাকারী তৈরি হয়েছেন, প্রশিক্ষণে আছেন আরও অন্তত ১৫০ জন।
চন্দনাইশের এই তরুণ স্কুলজীবনে রোগা শরীর নিয়ে জিমে ভর্তি হয়েছিলেন, আশপাশের টিটকারি সহ্য করে নিজের যন্ত্রপাতি কেনেন এবং ২০০২ সালে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে নিজের জিম খোলেন। সে বছর মিস্টার বাংলাদেশে সপ্তম হন, পরে ২০০৭, ২০০৯ ও ২০১১ সালে রানারআপ; এরপর নিজে প্রতিযোগিতায় নামার বদলে কোচিংয়ে মন দেন এবং ২০১৩ সাল থেকে দল হিসেবে প্রতিযোগী পাঠাতে শুরু করেন। ২০১৪ সালের মিস্টার ঢাকায় তাঁর ২৭ জন শিষ্য অংশ নিয়ে ১৭ জন পুরস্কার পান, ৪ জন আলাদা ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হন; ২০১৫ সালে তাঁর এক ছাত্র মিস্টার বাংলাদেশ হন আর ২০১৯ সালে তিনি দেশের সেরা বডিবিল্ডিং কোচের স্বর্ণপদক পান। এখন শহরে চারটি শাখা, আর পটিয়া ও চন্দনাইশে দুটি — তাঁর ভাষায়, "পটিয়া ও চন্দনাইশের জিম দুটি থেকে কোনো আয় আসে না", সেগুলো তিনি চালান এলাকার ছেলেদের মাদক থেকে দূরে রাখতে। চট্টগ্রামে এখন শ খানেক জিম, কিন্তু প্রতিযোগিতার তালিকায় ঘুরেফিরে আসে তাঁর জিমের নামই।
যা শেখার আছে
- ১.নিজে প্রতিযোগিতায় নামার বদলে কোচিংয়ে যাওয়ায় জিমটি জাতীয় পরিচিতি আর নিয়মিত সদস্য পেয়েছে, যা নিজের পদকে কখনো আসত না
- ২.সব শাখা আয় দেয় না — শহরের শাখাগুলোর আয়েই চলে উপজেলার দুটি জিম
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
