প্রতীকী ছবিআবুল কালাম আজাদের মাল্টা ও কমলার খামার
কাগজের ব্যাগ পদ্ধতিতে কমলা রঙের দেশি মাল্টা, সঙ্গে দার্জিলিং কমলা
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহশুরু ২০২০ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গাগান্না গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আবুল কালাম আজাদ সেনাবাহিনীর চাকরি শেষে বাড়ি ফিরে আট বিঘা (২৬৪ শতক) জমিতে কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন, যেখানে মাল্টা, দার্জিলিং কমলাসহ নানা জাতের ফল চাষ হয়। ২০২২ সালে খামারটির বয়স দুই বছর; প্রায় ২৬ লাখ টাকা খরচ করে শুরুতেই ফল বিক্রি করে পেয়েছেন ৬ লাখ টাকা। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজুর রহমানের পরামর্শে তিনি বারি-১ জাতের ২৪০টি মাল্টাগাছের সব ফলে কাগজের ব্যাগ বেঁধে দেন, ফলে সবুজ মাল্টা কমলা রঙ ধারণ করে, রস বাড়ে এবং পচন কমে; সাড়ে সাত হাজার ব্যাগ কিনেছেন, প্রতিটি সাড়ে চার টাকায়, যা তিনবার ব্যবহার করা যায়। বাজারে সাধারণ বারি-১ মাল্টা কেজি ৫৫–৬০ টাকায় বিক্রি হলেও রং বদলানো মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ১০০–১১০ টাকায়, প্রায় মিসরীয় মাল্টার দামে। খামারে কয়েকজন লোক কাজ করেন এবং জেলা কৃষি বিভাগ নিয়মিত পরামর্শ দেয়।
পণ্য ও সেবা
কমলা রঙের মাল্টা (বারি-১, ব্যাগ পদ্ধতি)
৳১০০–১১০ / কেজি
বাজারে বিক্রির দর
দার্জিলিং কমলা
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

শামসুজ্জামানের পেয়ারা বাগান
পেয়ারা বাগান ও ভাসমান বাজার · লেবু ও আনারস চাষ · মাল্টা ও কমলা চাষ
শখের পেয়ারা চাষ থেকে ৭ বিঘার বাণিজ্যিক বাগান
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ
- পণ্য বিক্রি করেন
