প্রতীকী ছবিআমির হোসেনের সমন্বিত ফসলের খামার
একই জমিতে ৪ থেকে ১০ ধরনের ফসল, ৯০ শতাংশ জৈব সারে চাষ
সাঘাটা, গাইবান্ধাশুরু ১৯৯৬ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- পরামর্শ দেন
পরিচিতি
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পুটিমারি গ্রামের কৃষক আমির হোসেন (৫২) একসময় দিনমজুরি করতেন, পরে বাজারে কাঁচা তরিতরকারি বিক্রি করতেন। ১৯৯৬ সালে বাবার কাছ থেকে পাওয়া পাঁচ শতক জমিতে একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে কেনা ১০০টি পেঁপের চারা লাগান, সঙ্গে সাথি ফসল আদা; ছয় মাসে ১৩ হাজার টাকার পেঁপে ও আদা বিক্রি করে ২৩ শতক জমি কেনেন, পরের বছর লাভ হয় ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। এখন তিনি ১৪ বিঘা জমির মালিক; ৩ বিঘায় বসতভিটা, ১১ বিঘায় চাষ। প্রায় প্রতিটি জমিতে ৪ থেকে ১০ ধরনের ফসল: উন্নত জাতের আখ, পেয়ারা ও পেঁপের নিচে মরিচ, নবরত্ন কচু ও ডাঁটাশাক, মাটির নিচে আধা ছায়ায় আদা ও হলুদ, জমির চারদিকে প্রায় ৫০০ দেশি কলাগাছ আর আলে নেপিয়ার ঘাস। নিজের উদ্ভাবিত কীটনাশক ও ৯০ শতাংশ জৈব সার ব্যবহার করেন। কৃষিতে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার পেয়েছেন; বছরে আয় ১৩ লাখ, ব্যয় ৫ লাখ টাকা। প্রথম আলোর আরেক প্রতিবেদনে (আগস্ট ২০২২) একই গ্রামের ৫২ বছর বয়সী এই কৃষককে 'আমির আলী' নামে লেখা হয়েছে: তাঁর বারোমাসি বেগুনগাছে মাসে ২৫–২৮ কেজি বেগুন হয়, দুই বছরে ১৫ মণ বেগুন বিক্রি করেছেন ১২ হাজার টাকায়; তাঁর জমিতে এখন অনেক দিনমজুর কাজ করেন এবং তিনি গ্রামের কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছেন।
পণ্য ও সেবা
আখ
উন্নত জাতের, প্রায় ১১ ফুট লম্বা
পেঁপে
পেয়ারা
আদা
পেঁপে-পেয়ারার আধা ছায়ায় চাষ
হলুদ
মরিচ
নবরত্ন কচু
ডাঁটাশাক
দেশি কলা
জমির চারদিকে প্রায় ৫০০ গাছ
নেপিয়ার ঘাস
বারোমাসি বেগুন
৳২০ / কেজি
গড় বিক্রয়মূল্য
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
পরামর্শ দেন
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
