প্রতীকী ছবিবাটার মোড়ের জিলাপির দোকান
প্রায় ৭৫ বছর ধরে রাজশাহীর বাটার মোড়ে একই জায়গায় তৈরি হচ্ছে মচমচে, রসে ভরা জিলাপি
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, রাজশাহীশুরু ১৯৫০ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
রাজশাহী নগরের বাটার মোড়ের এই ছোট্ট দোকানের কোনো নাম বা সাইনবোর্ড নেই, তবু মচমচে জিলাপির জন্য রাজশাহীর মানুষ একে চেনে। ১৯৫০ সালের দিকে সোয়েব উদ্দিন এখানে জিলাপির ব্যবসা শুরু করেন; তখন তাঁর একমাত্র কারিগর ছিলেন জামিলী সাহা, পরে তাঁর ছেলে কালীপদ সাহা প্রধান কারিগর হন। ২০১৭ সালে কালীপদ সাহার মৃত্যুর পর থেকে তাঁর শিষ্য মো. সাফাত, যিনি ৪৩ বছর ধরে জিলাপি বানাচ্ছেন, আরেকজন কারিগরকে নিয়ে জিলাপি তৈরি করছেন। সোয়েব উদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর চার ছেলে দোকানটি চালাচ্ছেন। মালিকদের একজন মো. শামীম জানান, জিলাপিতে কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না এবং ভালো মানের উপকরণ দিয়ে বানানো হয়। সারা বছরই জিলাপি পাওয়া যায়, তবে রমজানে বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইন লেগে থাকে। জিলাপির সঙ্গে নিমকি ও মাঠাও বিক্রি হয়; ২০২৬ সালের রমজানে প্রতি কেজি জিলাপির দাম ছিল ২২০ টাকা।
পণ্য ও সেবা
জিলাপি
৳২২০ / কেজি
কেমিক্যাল ছাড়া তৈরি মচমচে, রসে ভরা জিলাপি; সারা বছর পাওয়া যায়
নিমকি
মাঠা
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
