প্রতীকী ছবিহেলেনা ও অর্ণবের পিঠা-পেঁয়াজির দোকান
প্যারিস রোডে মা-ছেলের পরিচ্ছন্ন ভ্রাম্যমাণ পিঠা-পেঁয়াজির দোকান
যশোর সদর, যশোরশুরু ২০২৪ সালে২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
যশোর শহরের মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন মনি সড়কে (প্যারিস রোড) জুডিশিয়াল আদালত ভবনের ফটকের সামনে ভ্যানের ওপর এই ভ্রাম্যমাণ পিঠা-পেঁয়াজির দোকান চালান হেলেনা পারভীন ও তাঁর ছেলে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী অর্ণব হোসেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁরা শহরের চৌরাস্তা মোড়ে থানার সামনে ছোট একটি টেবিলে ডাল, বড়া ও ছোলা বিক্রি দিয়ে শুরু করেন; প্রথম দিনে ৮০০ টাকা বিক্রি করে প্রায় ৪০০ টাকা লাভ হয়। পরে পরিচিতজনদের দেওয়া টাকায় ৮ হাজার টাকায় ভ্যানগাড়ি কিনে প্যারিস রোডে ব্যবসা শুরু করেন। সেখানে অন্তত ৫০টি ভাজাপোড়ার দোকানের মধ্যে এই দোকানটি পরিচ্ছন্নতার জন্য আলাদা: মশা-মাছি ঠেকাতে ভ্যানের তিন পাশ জাল দিয়ে ঘেরা, আর ভাজার তেল ও মসলাও পরিষ্কার রাখা হয়। বাড়ি থেকে সরঞ্জাম এনে দুপুরের পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান চলে। দোকানের এখনো কোনো নাম নেই; প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা লাভ হলেই তাঁরা খুশি।
পণ্য ও সেবা
পুলি পিঠা
৳১০ / প্রতিটি
পেঁয়াজি
৳৫ / প্রতিটি
ডালবড়া
৳৫ / প্রতিটি
বেগুনি
৳৫ / প্রতিটি
আলুচপ
৳৫ / প্রতিটি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
খোলার সময়
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
