প্রতীকী ছবিইমরান হোসেনের কমলাবাগান
জয়পুরহাটের ভিকনী গ্রামে পতিত ৩০ শতাংশ জমিতে ১৭০টি বারি-২ কমলাগাছের বাগান
জয়পুরহাট২ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
জয়পুরহাটের ভিকনী গ্রামের ইমরান হোসেন বাড়ির পাশের পতিত ৩০ শতাংশ জমিতে কমলার বাগান করেছেন। আগে তিনি ঢাকার সাভারে ইলেকট্রনিকস পণ্যের একটি ছোট দোকান চালাতেন; করোনায় লোকসানে পড়ে গ্রামে ফিরে ইউটিউব ও ওয়েবসাইট দেখে কমলা চাষের পদ্ধতি শেখেন। প্রথমে ভালো জাতের চারা না পাওয়ায় গাছ নষ্ট হয়ে দেড় লাখ টাকা লোকসান হয়; পরে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে প্রতিটি ৬০০ টাকায় কেনা ১৭০টি বারি-২ জাতের কমলার চারা লাগান। ২০২২ সালে প্রথম ফল আসে, তখন গাছপ্রতি ২৫–৩০ কেজি; ২০২৪ সালে তৃতীয়বারের ফলনে গাছপ্রতি ৪০–৪২ কেজি কমলা হয়েছে এবং পাঁচ লাখ টাকার বেশি কমলা বিক্রির আশা করছেন। কোনো শ্রমিক নেই—ইমরান ও তাঁর স্ত্রী সুমী আক্তার নিজেরাই বাগানের পরিচর্যা করেন। প্রায় প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে লোকজন বাগান দেখতে আসেন, অনেকে বাগান থেকেই কমলা কিনে নিয়ে যান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মতে এটি উপজেলার প্রথম কমলার বাগান, আর এক ফসলি এই জমি থেকে ইমরান বছরে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা আয় করছেন।
পণ্য ও সেবা
কমলা (বারি-২)
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বিক্রির উপযুক্ত হয়; বাগান থেকেই কেনা যায়
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
