প্রতীকী ছবিজাহানারা খাতুনের কেঁচো সার
বিত্তিপাড়া গ্রামে ৫০টি চাকে মাসে প্রায় ৪০ মণ কেঁচো সার
কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়াশুরু ২০২১ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া গ্রামের গৃহবধূ জাহানারা খাতুন গ্রামে প্রথম জৈব (কেঁচো) সার তৈরি শুরু করেন। ২০২১ সালে বাড়ির আঙিনায় দুটি সিমেন্টের চাক বসিয়ে গোবর ও কেঁচো দিয়ে শুরু করেন; সদর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা নিয়েছিলেন। এখন বাড়ির পেছনে টিনশেডে ৪০টি এবং সামনে আরও ১০টি চাক আছে; প্রতিটি চাকে ৩০ কেজি সার হয়। নিজের গরুর গোবরের সঙ্গে গ্রামের অনেক বাড়ি থেকে গোবর সংগ্রহ করেন, তাতে সবজির উচ্ছিষ্ট ও কলাগাছের বাকল মেশান; ২০–২৫ দিন ঢেকে রেখে সার তৈরি হলে চালুনিতে চেলে ছোট প্যাকেট বা বস্তায় ভরেন। প্রতি মাসে প্রায় ৪০ মণ সার উৎপাদন করেন, যার দাম প্রায় ২৪ হাজার টাকা; নিজেরা দুই থেকে তিন মণ ব্যবহার করে বাকিটা বিক্রি করেন। বিভিন্ন এলাকার কৃষক মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাঁর বাড়ি এসে সার কিনে নিয়ে যান। এই আয়ে ছাপড়া ঘরের জায়গায় দালান তুলেছেন, গরু-ছাগল পালছেন; তাঁর দেখাদেখি গ্রামের শতাধিক নারী এখন কেঁচো সার তৈরি করছেন।
পণ্য ও সেবা
কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট)
৳১৫ / কেজি
চালুনিতে চেলে ছোট প্যাকেট বা বস্তায় বিক্রি
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
মালিক পুরো ঠিকানা দেখাতে চাননি — যোগাযোগ করে জেনে নিন।
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
