প্রতীকী ছবিজাসমা ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সার সেন্টার
গোয়ালন্দের পশ্চিম উজানচরে মাসে ৪০-৫০ মণ কেঁচো সার; রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ঢাকায় বিক্রি
গোয়ালন্দ, রাজবাড়ীশুরু ২০২৩ সালে৫ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পশ্চিম উজানচর নবুওছিমদ্দিন পাড়ার গৃহবধূ জাসমা আক্তার (৩৫) ২০২৩ সালে ফরিদপুরে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মেলায় বান্ধবী তানিয়ার ভার্মি কম্পোস্টের স্টল দেখে অনুপ্রাণিত হন। বান্ধবীর কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে তিন কেজি কেঁচো কিনে, দুটি গরু এনে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন; পরিবার ও প্রতিবেশীদের কটু কথাতেও থামেননি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ ও বিনা মূল্যে পাঁচ কেজি কেঁচো পান, পরে উপজেলা কৃষি বিভাগ সার তৈরির যন্ত্র ও রিং দেয়। প্রথমে মাসে ১৫-২০ কেজি হলেও এখন দুটি টিনশেড ঘরে মাসে ৪০-৫০ মণ সার হয়, বিক্রি হয় ১৫-২০ টাকা কেজি দরে; সার গোয়ালন্দের বাইরে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ঢাকাতেও যায়, কৃষি বিভাগের চাহিদারও বড় অংশ তিনি মেটান। দুজন পুরুষ ও দুজন নারী শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন; খামার থেকে বস্তাপ্রতি ২০-২৫ টাকায় গোবর কেনা হয়। প্রায় পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগে মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা লাভ হয়; স্বামী মাহবুবুল আজম সহযোগিতা করেন। ভবিষ্যতে বায়োগ্যাস তৈরির পরিকল্পনা আছে।
পণ্য ও সেবা
কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট)
৳১৫–২০ / কেজি
দানাদার জৈব সার, বস্তায়
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
যেসব এলাকায় পৌঁছে দেন
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
