প্রতীকী ছবিজেলেহার খাতুনের ফুলের খেত
স্বামীর বর্গা নেওয়া দেড় বিঘায় নিজেই ফুল চাষ — গান্নার ‘ফুলকন্যা’
ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহশুরু ২০২২ সালে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ফুলনগরী গান্না ইউনিয়নের বাঁশিপাড়ার জেলেহার খাতুন (৩৬) দেড় বিঘা বর্গা জমিতে ফুল চাষ করেন। জমিটি বর্গা নিয়েছিলেন তাঁর ফুলচাষি স্বামী আয়ুব হোসেন; ২০২২ সালের ২৩ জুলাই কিডনির জটিলতায় তাঁর মৃত্যুর পর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে সংসার চালাতে জেলেহার নিজেই সেই জমিতে চাষ শুরু করেন। জমি তৈরি, সেচ, চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার, ফুল তোলা ও বাজারজাত — সবই তিনি নিজে করেন; শুধু ওষুধ ছিটানোর কাজটি ছেলে তারেক আজিজ করে দেন। বিঘায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়; মৌসুম শেষে ১ লাখ টাকার ফুল বিক্রির আশা করেছিলেন। ভোরে বসা গান্নার ফুলের হাটে নিজেই ফুল বিক্রি করেন। ফুল চাষের আয় থেকে স্বামীর চিকিৎসার ঋণের ৭০ হাজার টাকা শোধ করেছেন। এলাকার মানুষ তাঁকে ‘ফুলকন্যা’ বলে ডাকেন; গান্না এলাকার ফুলচাষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাঁর চাষাবাদ ও কেনাবেচায় আন্তরিকতা ও সততার কথা বলেন।
পণ্য ও সেবা
ফুল
গান্নার ফুলের হাটে বিক্রি; ফুলের জাত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
