প্রতীকী ছবিকড়ি পালের মিষ্টির দোকান
ঈশ্বরদীর আড়মবাড়িয়া বাজারে চার ভাইয়ের চার দশকের দই-মিষ্টির দোকান
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার আড়মবাড়িয়া বাজারে কড়ি পাল ও তাঁর তিন ভাই সুকুমার পাল, হরেকৃষ্ণ পাল ও মন্টু পাল মিলে চার দশক ধরে একটিই মিষ্টির দোকান চালান। দোকানে কোনো সাইনবোর্ড নেই, এলাকায় ‘কড়ি পালের মিষ্টির দোকান’ নামেই পরিচিত। বাবা গোপীনাথ পাল এখানে প্রথমে শুধু চা বিক্রি করতেন; ভাইয়েরা বাড়িতে মিষ্টি বানিয়ে হাটে হাটে বেচতেন, বাবার মৃত্যুর পর চায়ের দোকানেই স্থায়ীভাবে মিষ্টি বিক্রি শুরু করেন। সকালে কড়ি পাল দোকান খোলেন, মন্টু পাল পরোটা ভাজেন, সুকুমার ও হরেকৃষ্ণ খদ্দের সামলান; সঙ্গে আছেন দু-তিনজন কর্মচারী। দোকানের দই আগাম বায়না দিয়ে কিনতে হয়; যতটুকু বায়না পান ততটুকুই বানান, দুধ কম পাওয়ায় বেশি বানাতে পারেন না। সব রকম মিষ্টি আছে, সাদা মিষ্টি ২৬০ টাকা কেজি। এলাকার অনুষ্ঠানের বায়না বেশির ভাগই এখানে আসে; নিয়মিত ক্রেতারা আত্মীয়বাড়ি যাওয়ার আগে এখান থেকে দই-মিষ্টি নেন।
পণ্য ও সেবা
দই
আগাম বায়না দিয়ে কিনতে হয়
সাদা মিষ্টি
৳২৬০ / কেজি
নানা রকম মিষ্টি
পরোটা
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
