প্রতীকী ছবিশাহাবুদ্দিন ফরাজির তরমুজখেত
মেঘনার মাঝের চরে ২০ একরে তরমুজ, ৭-১৩ কেজির ফল যায় ফেনীতে
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
ভোলার মেঘনা নদীর মাঝের চরের (মধুপুর ও বৈরাগীর চর এলাকা) কৃষক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি ২০২৩ মৌসুমে প্রায় ২০ একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলের আকার ভালো হয়, তবে মিঠাপানি পেলে আরও ভালো হতো বলে জানান। প্রথম দিনেই দুই হাজার তরমুজ কাটেন, যেগুলোর ওজন ৭ থেকে ১৩ কেজি; এগুলো ফেনীতে বিক্রির কথা। তাঁর হিসাবে এক একর থেকে কমপক্ষে দেড় হাজার মানসম্পন্ন তরমুজ পাওয়া যায়। চরের তরমুজ শ্রমিকেরা কেটে ট্রলারে তোলেন, যা দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়; সে সময় ঢাকার আড়তে ১২-১৫ কেজির ১০০ তরমুজ ৩৫ হাজার টাকা আর ভোলার বাজারে ৫-৬ কেজির ১০০টি ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।
পণ্য ও সেবা
তরমুজ
৭-১৩ কেজি ওজনের; ঢাকার আড়তে ১২-১৫ কেজির ১০০টি ৩৫ হাজার টাকা (সাধারণ বাজারদর)
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
যেসব এলাকায় পৌঁছে দেন
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

নিজাম উদ্দিন ফরাজির সবজি ও তরমুজ খেত
চরের কৃষি ও বাদাম চাষ · তরমুজ চাষ · ক্যাপসিকাম ও উচ্চমূল্যের সবজি
মেঘনার মধুপুর চরে আগাম সবজি, ক্যাপসিকাম আর তরমুজের বড় আবাদ
দৌলতখান, ভোলা
- পণ্য বিক্রি করেন
