প্রতীকী ছবিনিজাম উদ্দিন ফরাজির সবজি ও তরমুজ খেত
মেঘনার মধুপুর চরে আগাম সবজি, ক্যাপসিকাম আর তরমুজের বড় আবাদ
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
পরিচিতি
ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মেঘনার মধুপুর চরের কৃষক মো. নিজাম উদ্দিন ফরাজি চরে বড় পরিসরে আগাম সবজি ও তরমুজ চাষ করেন। ২০২৩ সালের প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মদনপুরের এই কৃষক জানান, সে বছর পাঁচ একরে সবজি ও ১৫ একরে তরমুজ করেছিলেন; মধুপুর ও বৈরাগীর চরের তরমুজ ট্রলারে দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়। ২০২৪ সালে তিনি সাড়ে সাত একর জমিতে আগাম সবজি করেন; ঘূর্ণিঝড় মিধিলির জোয়ার ও বৃষ্টিতে অধিকাংশ গাছ নষ্ট হয়ে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে আবার বীজ বুনে ও বাইরের জেলা থেকে চারা এনে ক্যাপসিকাম, চিচিঙা ও ঝিঙা লাগান। এই চরের কৃষকেরা সবজি বড় বস্তায় (ঢোপ) ভরে ট্রলারে লক্ষ্মীপুর, সেখান থেকে ট্রাকে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠান। মেঘনার চরে ক্যাপসিকামসহ নানা আগাম সবজি চাষের জন্য মধুপুর চর পরিচিত।
পণ্য ও সেবা
তরমুজ
ক্যাপসিকাম
চিচিঙা
ঝিঙা
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
যেসব এলাকায় পৌঁছে দেন
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

শাহাবুদ্দিন ফরাজির তরমুজখেত
তরমুজ চাষ · চরের কৃষি ও বাদাম চাষ
মেঘনার মাঝের চরে ২০ একরে তরমুজ, ৭-১৩ কেজির ফল যায় ফেনীতে
ভোলা
- পণ্য বিক্রি করেন
