প্রতীকী ছবিমেহেদী হাসান রাজুর ড্রাগন বাগান
যশোর-চুকনগর সড়কের পাশে আলতাপোলে এক একরের ড্রাগন বাগান
কেশবপুর, যশোরশুরু ২০২২ সালে৬ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভোগতী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছোট ছেলে মেহেদী হাসান রাজু (২৪) যশোর সরকারি এম এম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক শেষ বর্ষের ছাত্র। পরিবারের আর্থিক সহায়তায় জমি লিজ নিয়ে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে যশোর-চুকনগর সড়কের পাশে আলতাপোল তেইশ মাইল এলাকায় এক একর জমিতে ড্রাগন বাগান গড়েন; খরচ প্রায় ১০ লাখ টাকা। এক হাজার কংক্রিটের খুঁটিতে টায়ার ও রড দিয়ে প্রায় ৪ হাজার গাছ লাগানো, বাগানে ৩-৪ জাতের হলুদ ও লাল ড্রাগন আছে; একেকটি ফল ২৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম। ২০২৩ মৌসুমে প্রায় ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন, প্রায় ১৫ লাখ টাকার বিক্রি ও খরচ বাদে ৩-সাড়ে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা; এক বছরেই মূলধন উঠে এসেছে। পাইকারি দর কেজি ২৫০-৩০০ টাকা, মৌসুমের শুরুতে ৬০০ টাকা পর্যন্ত পেয়েছেন। কেশবপুরের বেশির ভাগ ফলের দোকানে তাঁর ড্রাগন বিক্রি হয়, যায় যশোর, চুকনগর, খুলনা, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে। ক্ষতিকর কিছু দিয়ে ফল পাকানো হয় না। বাগানে নিয়মিত পাঁচজন শ্রমিক কাজ করেন; সড়কের পাশে হওয়ায় অনেকে বাগান দেখতে আসেন, দরিদ্র কেউ এলে বিনা মূল্যে ফল খাওয়ান। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে শুরুতে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
পণ্য ও সেবা
ড্রাগন ফল
৳২৫০–৩০০ / কেজি
লাল ও হলুদ, প্রাকৃতিকভাবে পাকা; পাইকারি দর
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
যেসব এলাকায় পৌঁছে দেন
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা
কাছের একই ধরনের উদ্যোগের সাথে তুলনা করুন
রিয়াজ মোর্শেদের ড্রাগন বাগান
ড্রাগন ফল চাষ · কলা চাষ · লেবু ও আনারস চাষ
চাকরি ছেড়ে কৃষ্ণনগরে সাড়ে ১২ বিঘার ড্রাগন বাগান
ঝিকরগাছা, যশোর২০২২ থেকে
- পণ্য বিক্রি করেন
