প্রতীকী ছবিপাল মিষ্টি ভান্ডার
পাঁচ দশকের ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা, কেজিতে নয়—বিক্রি হয় পিস হিসেবে
চকরিয়া, কক্সবাজারশুরু ১৯৭২ সালে৪ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং বাজারে পাল মিষ্টি ভান্ডার ৫০ বছর ধরে শুধু রসগোল্লা আর নিমকি বিক্রি করে আসছে। মালিক উষা রঞ্জন পাল (৮২) ১৯৫৮ সালে ১৪ বছর বয়সে রেবতী দত্তের ‘দত্ত মিষ্টি ভান্ডারে’ কাজ নিয়ে মিষ্টি বানানো শেখেন; ১৯৭২ সালে দোকানটি কিনে নাম দেন ‘পাল মিষ্টি ভান্ডার’। রসগোল্লা কেজিতে নয়, প্রতি পিস ১২ টাকায় বিক্রি হয়; একসময় এক আনায় বিক্রি হতো। ছানা, চিনি, এলাচ আর সামান্য ময়দা (এক কেজি ছানায় ২০ গ্রাম) দিয়ে, লেবুর রসে ছানা কেটে মাটির চুলায় কাঠের আগুনে মিষ্টি তৈরি হয়; ৪০ কেজি দুধ থেকে মাত্র ৩০০টি মিষ্টি হয়। দুধ পাওয়া সাপেক্ষে দিনে ১৫–২০ কেজি মিষ্টি বানানো হয়, বিয়ে-মিলাদের অর্ডারে আরও বেশি। চকরিয়া, পেকুয়া, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, লামা থেকে ক্রেতারা আসেন, অনেক সময় লাইন দিয়ে কিনতে হয়। দোকানের পেছনেই কারখানা; উষা রঞ্জন এখনো নিজ হাতে মিষ্টি বানান, সঙ্গে তিনজন কর্মচারী।
পণ্য ও সেবা
রসগোল্লা
৳১২ / প্রতি পিস
ছানা, চিনি, এলাচ ও অল্প ময়দায় কাঠের চুলায় তৈরি; কেজিতে নয়, পিস হিসেবে বিক্রি
নিমকি
মুচমুচে নিমকি, রসগোল্লার সঙ্গে বিক্রি হয়
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
