প্রতীকী ছবিশাহ জামালের বাঁশের হস্তশিল্প
আনন্দপুরে বাঁশের দিনপঞ্জিকা, ওয়ালমেট, ঝাড়বাতি; যায় ইউরোপ-আমেরিকায়
বুড়িচং, কুমিল্লাশুরু ১৯৮৬ সালে১৫ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
পরিচিতি
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী আনন্দপুর গ্রামের শাহ জামালের পরিবার ১৯৫৫ সাল থেকে বংশপরম্পরায় বাঁশের শিল্পকর্ম তৈরি করছে; তিনি নিজে ১৯৮৬ সাল থেকে এ কাজে মনোযোগী হন। বাড়ির উঠানে বাঁশ চেঁছে, রং করে, ছবি ফুটিয়ে তৈরি হয় দিনপঞ্জিকা, কলমদানি, ঝাড়বাতি, ওয়ালমেট, টেবিল ল্যাম্প, ফটোফ্রেম, দরজার পর্দাসহ নানা শোপিস। তিনি, তাঁর তিন ভাই, দুই ভাইয়ের স্ত্রী ও এক বোন কাজ করেন, সঙ্গে আটজন কর্মচারী মাসে ৮–১০ হাজার টাকা বেতন পান; সব বাদ দিয়ে তাঁর মাসিক আয় ৩০–৪০ হাজার টাকা। ঢাকার পাইকাররা অর্ডার দেন, সেখান থেকে পণ্য দুবাই, ইতালি, আমেরিকাসহ প্রবাসী বাঙালিদের কাছে যায়। অক্টোবর থেকে মার্চ, মেলার মৌসুমে চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কাজের স্বীকৃতিতে ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার পান।
পণ্য ও সেবা
বাঁশের দিনপঞ্জিকা
৳২৫০–৫০০ / প্রতিটি
ওয়ালমেট
৳২৫০–৫০০ / প্রতিটি
কলমদানি
৳২৫০–৫০০ / প্রতিটি
ঝাড়বাতি ও টেবিল ল্যাম্প
ফটোফ্রেম
দরজার পর্দা
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

যতীন্দ্র বিশ্বাসের বাঁশি
বাঁশ ও বেতের হস্তশিল্প
‘বাঁশির গ্রাম’ শ্রীমদ্দীতে স্বামী-স্ত্রীর নকশি বাঁশি, যায় বিদেশেও
হোমনা, কুমিল্লা
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়

আবুল কাশেমের বাঁশি
বাঁশ ও বেতের হস্তশিল্প
শ্রীমদ্দীর কারিগর, ৫০ বছর ধরে বাঁশি বানান, অনলাইনে দেশ-বিদেশে বিক্রি
হোমনা, কুমিল্লা
- পণ্য বিক্রি করেন
- অর্ডার নেন
