প্রতীকী ছবিশিকদার শরিফুল ইসলামের আপেল কুলের বাগান
মোল্লাহাটের ছোট খাচনায় চার একরের আপেল কুলের বাগান
মোল্লাহাট, বাগেরহাটশুরু ২০১৭ সালে৪ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
- পরামর্শ দেন
পরিচিতি
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার ছোট খাচনা গ্রামের শিকদার শরিফুল ইসলাম (৫০) প্রতিবেশী শেখ এনছান উদ্দিনের বাগান দেখে শখের বশে ২০১৭ সালে ৫২ শতক পরিত্যক্ত জমিতে ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগে আপেল কুলের বাগান করেন। দুই বছরেই কয়েক লাখ টাকা লাভ হওয়ায় চাষ বাড়াতে থাকেন এবং ২০২০ সালে চার একর জমিতে কুল চাষ করেন; সে বছর দুই লাখ টাকা লাভ হয়। ২০২১ সালে চার একরের ৩০০ গাছ থেকে ৬ লাখ টাকার বেশি কুল বিক্রি করেন, ২০২২ সালে ৬-৭ লাখ টাকার বিক্রির আশা ছিল এবং তখনই প্রায় চার লাখ টাকার কুল বিক্রি হয়েছিল। জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কুল বিক্রি হয়। কুল তোলা, বাছাই ও বাজারজাত করতে তাঁর সঙ্গে নিয়মিত তিনজন শ্রমিক কাজ করেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন বাগান দেখতে আসেন; নতুন চাষিদের তিনি এলাকার বাজারে চাহিদা ও ফলন দেখে জাত বাছাইয়ের পরামর্শ দেন, তাঁর মতে আপেল কুলে লাভ বেশি।
পণ্য ও সেবা
আপেল কুল
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
খোলার সময়
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
পরামর্শ দেন
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
