প্রতীকী ছবিছয় বন্ধুর ড্রাগন বাগান
করোনায় ব্যবসায় ধসের পর ৫০ শতাংশ ইজারা জমিতে ড্রাগনের বাগান
শ্রীবরদী, শেরপুরশুরু ২০২২ সালে৬ জন কাজ করেন
এই তথ্য উদ্যোগটির নিজের পাবলিক পাতা থেকে নেওয়া। মালিক এখনো নিশ্চিত করেননি, তাই ফোন নম্বর দেখানো হচ্ছে না।
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
পরিচিতি
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার দহেরপাড় গ্রামে ছয় বন্ধু—এ এস এম আজিজুল হাসান, আবু রায়হান, শামসুজ্জামান, শাহাদাত হোসেন, বিল্লাল হোসেন ও সরকার জুবায়ের হোসেন—মিলে ড্রাগন ফলের বাগান করেছেন। করোনার সময় ব্যবসায় আর্থিক ক্ষতির পর তাঁরা কৃষিতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন এবং তিন লাখ টাকায় ৫০ শতাংশ জমি ইজারা নেন। ২০২২ সালে গাজীপুর কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে ৮০০ চারা এনে ২০০ খুঁটিতে রোপণ করেন; সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে পাঁচ লাখ টাকা। প্রথম বছরেই ভালো ফলন হয়েছে; প্রতি কেজি ২০০–২৫০ টাকায় বিক্রি করে প্রায় এক লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন। ব্যবসায়ীরা বাগানে এসে ফল কিনে নেন। গাছে জৈব সার দেন, রাসায়নিক সার লাগে না; মে থেকে আগস্ট ফলের সেরা মৌসুম। উপজেলা কৃষি কার্যালয় বাগান পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছে।
পণ্য ও সেবা
ড্রাগন ফল
৳২০০–২৫০ / কেজি
মে থেকে আগস্ট মৌসুম
দাম মালিকের দেওয়া; কেনার আগে জেনে নিন।
ঠিকানা ও সময়
ঠিকানা
শিখতে বা কাজ করতে চাইলে
দেখতে যাওয়া যায়
নিজে এই ব্যবসা শুরু করতে চান?
খরচ, ধাপ, মৌসুম আর ঝুঁকি — পুরো গাইড পড়ুন।
আশেপাশে একই ব্যবসা

আজিজুল হকের ড্রাগন বাগান
ড্রাগন ফল চাষ
বাড়ির আঙিনায় শতাধিক গাছের ড্রাগন বাগান, স্থানীয়ভাবেই বিক্রি
নকলা, শেরপুর
- পণ্য বিক্রি করেন
- দেখতে যাওয়া যায়
