মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে ঢাকার একটি ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের দুই আইবিএ-স্নাতক প্রতিষ্ঠাতা · ২০১৬ সালে শুরু

দুই আইবিএ স্নাতকের ক্যাটারিং: ৬০% অনুষ্ঠান করপোরেট, দাম প্রকাশ্যে

২০১৬ সালে ঢাকায় দুই আইবিএ স্নাতকের শুরু করা একটি ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান করপোরেট অনুষ্ঠানে ভর করে, সামাজিক মাধ্যমে দাম প্রকাশ করে ও নতুন ধরনের খাবার এনে অল্প সময়ে বড় হয়েছে।

২০১৬ সালে ঢাকার ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) দুই স্নাতক মিলে একটি ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান শুরু করেন। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার শীর্ষ চারটি ক্যাটারারের তালিকায় একে রাখে। বিয়ে, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান, অফিসের দুপুরের খাবার থেকে ক্যাফেটেরিয়া ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত কাজ করলেও সহপ্রতিষ্ঠাতার হিসাবে তাদের প্রায় ৬০ শতাংশ অনুষ্ঠানই করপোরেট।

প্রতিষ্ঠাতাদের মতে, অল্প সময়ে বড় হওয়ার একটি বড় কারণ দামের স্বচ্ছতা — দেশে হাতে গোনা যে কয়টি ক্যাটারার সামাজিক মাধ্যমে দাম প্রকাশ করে, তারা তার একটি। জরুরি মুহূর্তে গ্রাহকসেবা দলকে পাওয়া যায়, সেটিও তাদের বিক্রির যুক্তি। ন্যূনতম অর্ডার ১০ প্যাকেট।

তারা ফুচকা শট, কাঠি রোল, মিটবল ক্যানাপে, ম্যাঙ্গো শুটারের মতো পদ অনুষ্ঠানস্থলে পরিবেশন শুরু করে, যেগুলো সাধারণত দামি রেস্তোরাঁয় মেলে। সহপ্রতিষ্ঠাতা জানান, সাভারের এক রিসোর্টে একটি বহুজাতিক কোম্পানির বার্ষিক অনুষ্ঠানে তারা ১৮টি লাইভ ফুড স্টেশন চালিয়েছিলেন — কাঠের চুলায় পিৎজা থেকে বারবিকিউ, ওয়াফল পর্যন্ত, সবই অতিথিদের সামনে বানানো।

যা শেখার আছে

  1. ১.করপোরেট গ্রাহক বছরজুড়ে নিয়মিত অর্ডার দেয়; শুধু বিয়ের মৌসুমের ওপর নির্ভর না করে অফিস ও প্রতিষ্ঠানের কাজ ধরুন।
  2. ২.দাম প্রকাশ্যে রাখলে দরদামের সময় বাঁচে এবং নতুন গ্রাহকের আস্থা আসে।
  3. ৩.অন্যরা যা অনুষ্ঠানস্থলে দেয় না, এমন পদ আনলে ভিড়ের বাজারে আলাদা হওয়া যায়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।