মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে বাগেরহাটের কচুয়ার একজন মুড়ি ভাজার কারিগর

কেজিতে ৭৫ টাকা খরচে মুড়ি, পাইকারি বিক্রি ৯০ টাকায়

মণপ্রতি ১,৫০০ টাকার ধান, চাল করতে আরও ২০০ টাকা, আর মণে মুড়ি ২৪ কেজি — খরচ দাঁড়ায় কেজিতে ৭৫ টাকা, পাইকারি বিক্রি ৯০ আর খুচরা ১০০ টাকা। চার-পাঁচ বছরে অন্তত ৫০টি পরিবার এ পেশা ছেড়েছে।

বাগেরহাটের কচুয়ার বারুইখালী গ্রাম এলাকায় মুড়ির গ্রাম নামেই পরিচিত ছিল — একসময় শতাধিক পরিবার হাতে মুড়ি ভেজে জেলার চাহিদা মেটাত। হিসাবটা এখন আর মেলে না: মোটা ধান মণপ্রতি ১,৫০০ টাকা, সেদ্ধ-শুকনা করে চাল বানাতে আরও ২০০ টাকা, আর এক মণ ধানে মুড়ি হয় ২৪ কেজি — অর্থাৎ কেজিপ্রতি খরচ ৭৫ টাকা, পাইকারি বিক্রি ৯০ টাকা আর খুচরা ১০০ টাকা। মাঝখানে বাজার দখল করেছে যন্ত্রে ভাজা প্যাকেটের মুড়ি, আর হাতে ভাজা পণ্য দামে লড়ে পারে না। ষাটোর্ধ্ব এই কারিগর প্রায় তিন দশক এ কাজে আছেন; তাঁর বক্তব্য, মুড়ির আয়ে এখন সংসারের তিন বেলা চলে না, তাই ছেলেকে ভ্যান কিনে দিয়েছেন। চার-পাঁচ বছরে অন্তত ৫০টি পরিবার এ পেশা ছেড়ে অন্য কাজে গেছে, আর আরেকজন কারিগর যিনি দুই হাটে ১০ মণ মুড়ি বেচতেন, তিনি এখন সপ্তাহে ৫ মণও বেচতে পারেন না। এলাকার একজনের কথায়, "মুড়ির আয়ে সংসার না চলায় অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছে।"

যা শেখার আছে

  1. ১.বাড়ানোর আগে কেজিপ্রতি খরচটা কষে নিন — ৭৫ টাকায় বানিয়ে ৯০ টাকায় পাইকারি বিক্রি করলে পরিবারের শ্রমের দাম কিছুই থাকে না
  2. ২.হাতে বানানো সাধারণ পণ্য যন্ত্রে বানানো প্যাকেটজাত পণ্যের সঙ্গে দামে লড়তে গেলে জেতার জায়গা থাকে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।