গরু বেচে ৪০ হাজার, বাকিটা ১৮ মাসের শ্রমে — এখন দিনে লাভ ১২–১৫ হাজার
২,৮০,০০০ টাকার খুঁটির কারখানা কেনা হয়েছিল হাতে মাত্র ৪০,০০০ টাকা নিয়ে; বাকি টাকা শোধ হয়েছে চাচার কারখানায় ১৮ মাস শ্রম দিয়ে। এখন দুই কারখানায় দিনে ৬০০–৬৫০ খুঁটি, লাভ ১২,০০০–১৫,০০০ টাকা।
নাটোরের বড়াইগ্রামের তিরইল গ্রামের এই উদ্যোক্তা শুরু করেছিলেন শ্রমিক হিসেবে। ২,৮০,০০০ টাকা দামের একটি সিমেন্টের খুঁটির কারখানা কেনার সময় তাঁর হাতে ছিল গরু বিক্রির ৪০,০০০ টাকা; বাকি টাকা তিনি শোধ করেন চাচার কারখানায় ১৮ মাসের শ্রমচুক্তিতে কাজ করে। এখন তাঁর দুটি কারখানায় দিনে তৈরি হয় ৬০০–৬৫০টি খুঁটি। দিনে মাল ও খরচ মিলিয়ে লগ্নি হয় ১.৫–২ লাখ টাকা, আর লাভ থাকে ১২,০০০–১৫,০০০ টাকা — খুঁটিপ্রতি লাভ ২০–২৫ টাকা, বিক্রি হয় ২১৫–২২০ টাকায়। দুই কারখানায় কাজ করেন প্রায় ৮০ জন, আর প্রায় ৮০টি পরিবার এই কাজের ওপর নির্ভরশীল। খুঁটি যায় নাটোর, রাজশাহী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া আর খুলনায়।
যা শেখার আছে
- ১.পুঁজি না থাকলে শ্রম দিয়েও দাম শোধ করা যায় — ৪০ হাজার টাকা হাতে নিয়ে ২,৮০,০০০ টাকার কারখানা কেনা হয়েছিল ১৮ মাসের শ্রমচুক্তিতে
- ২.খুঁটিপ্রতি লাভ ২০–২৫ টাকা — এই ব্যবসায় আয় আসে সংখ্যা থেকে, দাম থেকে নয়; দিনে ৬০০ খুঁটি না উঠলে হিসাব মেলে না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
