ঘনফুটে ২৬ থেকে ৩০ টাকা, মাসে গ্যাস বিলই ৩০ হাজার
সুজানগরের এই আতর চুল্লিতে মাসে তৈরি হয় প্রায় ১২ তোলা আতর, তোলা ৬,০০০ টাকা; অথচ শুধু গ্যাস বিলই মাসে ৩০,০০০ টাকা। চা-শিল্প যেখানে ঘনফুটে ১১.৯৩ টাকা দেয়, এখানে দিতে হয় ৩০ টাকা।
মৌলভীবাজারের বড়লেখার সুজানগর গ্রামের প্রায় ৭০ বছর বয়সী এই কারিগর মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরে পারিবারিক আতরের চুল্লিতেই বসেছেন। মাসে তৈরি হয় প্রায় ১২ তোলা আতর, প্রতি তোলা ৬,০০০ টাকা; অথচ শুধু গ্যাসের বিলই মাসে প্রায় ৩০,০০০ টাকা। তাঁর ভাষায়, "প্রতি ঘনফুট গ্যাসের দাম দিতাম ২৬ টাকা" — সেটাই বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা, যেখানে চা-শিল্পের জন্য দর ১১.৯৩ টাকা। প্রতিবেদন বলছে উৎপাদন খরচ এখন আয়ের চেয়ে বেশি, তবু ১২ জন শ্রমিককে তিনি ছাড়াননি। সুজানগরে প্রায় ২৫০টি আতরের কারখানা আর ৩০০ জনের মতো কারিগর একই চাপে আছেন।
যা শেখার আছে
- ১.পুরো উৎপাদন যদি একটাই জ্বালানির ওপর দাঁড়ায়, সরকারি দর বাড়লেই লাভ লোকসানে বদলে যায় — কারখানা বসানোর আগে দেখে নিন আপনার শিল্প কোন ট্যারিফে পড়ে
- ২.চা-শিল্প ঘনফুটে ১১.৯৩ টাকা দেয়, আতরের চুল্লি দেয় ৩০ টাকা — একই গ্যাসে পাশের শিল্প ছাড় পেলে সেই ফারাকটা আপনাকেই গুনতে হয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
