মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের একটি পুরোনো ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতা · ১৯৮২ সালে শুরু

১৯৮২ সালে চট্টগ্রামের এক ঘরে ট্রাভেল এজেন্সি, লাইসেন্সে লাগল চার বছর

চট্টগ্রামের এক উদ্যোক্তা ১৯৮২ সালে ছোট একটি ঘরে ট্রাভেল এজেন্সি খোলেন, ১৯৮৬ সালে মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্স পান। গ্রামের পরিচিতজন আর তাঁদের সুপারিশেই ব্যবসা বাড়ে; এখন ছেলে চালান, অফিস ঢাকাতেও।

পড়াশোনা শেষ করে ১৯৮২ সালে চট্টগ্রামের এক ছোট ঘরে একজন পিয়ন রেখে ট্রাভেল এজেন্সি চালু করেন এক উদ্যোক্তা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের জন্য কয়েক বছর লেগে যায়; লাইসেন্স মেলে ১৯৮৬ সালে। কাজ শেখানোর কেউ ছিল না — তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা এয়ারলাইনসের অফিসে বসে দেখতেন কীভাবে টিকিট বুক হয়, পিএনআর লেখা হয়। প্রথম গ্রাহক ছিলেন নিজের গ্রামের মানুষ; একজনের কাগজপত্র করে দিলে তাঁর পরিবার, তারপর এলাকার আরও লোক আসত। তাঁর কথায়, “The entire business was based on trust and my clients came from referrals.” সে সময় চট্টগ্রামে ৫০–৬০টির বেশি এজেন্সি ছিল না। তাঁর বেশির ভাগ গ্রাহক ওমান, সৌদি আরব ও বাহরাইনগামী প্রবাসী শ্রমিক; এখন কেউ কেউ বিএমইটির মাধ্যমে ইউরোপেও যান। টিবিএসের প্রতিবেদন (২০২৩) অনুযায়ী দেশে মন্ত্রণালয় অনুমোদিত এজেন্সি ৪,৭৭৫টি, আর অনলাইন এজেন্সির দাপট বাড়ছে। তবু এই উদ্যোক্তা মনে করেন, সম্পর্ক আর আস্থাই এ ব্যবসার মুদ্রা — একজন সন্তুষ্ট গ্রাহক আরেকজনকে নিয়ে আসেন। এজেন্সিটি এখন তাঁর ছেলে দেখাশোনা করেন, আর অফিস বিস্তৃত হয়েছে ঢাকা পর্যন্ত।

যা শেখার আছে

  1. ১.নিবন্ধন ও লাইসেন্সে সময় লাগে — শুরুর পরিকল্পনায় সেই অপেক্ষার খরচ ধরুন।
  2. ২.প্রবাসী শ্রমিকের মতো একটি নির্দিষ্ট গ্রাহকগোষ্ঠীকে ভালো সেবা দিলে সুপারিশেই ব্যবসা বাড়ে।
  3. ৩.অনলাইন প্রতিযোগিতার মধ্যেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আস্থা ছোট এজেন্সির বড় শক্তি।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।