৫ হাজার টাকায় ফেসবুকে স্কিনকেয়ার বিক্রি শুরু, এখন দোকানসহ মাসে ৭-৮ লাখ টাকার বিক্রি
খাগড়াছড়ির এক ছাত্রী নিজের জমানো পাঁচ হাজার টাকায় ফেসবুকে আমদানি করা স্কিনকেয়ার বিক্রি শুরু করেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে দোকান খুলেছেন, এখন মাসে বিক্রি সাত থেকে আট লাখ টাকা।
খাগড়াছড়ির এক তরুণী পড়াশোনার পাশাপাশি আমদানি করা ত্বক পরিচর্যার পণ্য বিক্রির উদ্যোগ চালান। ২০১৯ সালে ফেসবুকে নানা পেজ দেখে তাঁর নিজের কিছু করার ইচ্ছা হয়। তিনি ইউটিউব দেখে শেখেন কীভাবে পণ্যের ছবি তুলতে ও ফেসবুকে প্রচার করতে হয়, তারপর ‘তমসা ক্লোজেট’ নামে পেজ খোলেন। শুরুর পুঁজি ছিল নিজের জমানো মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। ২০২০ সালে করোনায় ব্যবসা অনেকটা থেমে গিয়েছিল, তবু তিনি কাজ চালিয়ে যান; তখন বাবার সঙ্গে নিজেই ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিতেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও জাপানের পণ্য আমদানিকারকদের কাছ থেকে নিয়ে তিনি খুচরা বিক্রি করেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে খাগড়াছড়িতে একটি দোকান চালু করেছেন, যেখানে স্কিনকেয়ারের পাশাপাশি মেয়েদের পোশাকও বিক্রি হয়। সব মিলিয়ে মাসে বিক্রি সাত থেকে আট লাখ টাকা, এবং তিনি নিজের পরিবারের খরচও চালান। শুরুর দিকে আত্মীয়-প্রতিবেশীরা মেয়ে হয়ে ব্যবসা করা নিয়ে কথা শোনালেও বাবা পাশে ছিলেন, শর্ত ছিল পড়াশোনা ভালোভাবে চালানো। তাঁর ক্রেতাদের বেশির ভাগ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ; খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে ব্র্যান্ড দাঁড় করানো তাঁর পরিকল্পনা।
যা শেখার আছে
- ১.খুব অল্প পুঁজিতে ফেসবুকে শুরু করে বিক্রি যাচাই করা যায়; দোকান খোলা হয়েছে অনেক পরে, বিক্রি দাঁড়ানোর পর।
- ২.নিজের ছবি তোলা ও প্রচারের কাজ নিজে শিখলে শুরুর খরচ বাঁচে।
- ৩.নির্দিষ্ট এলাকার ক্রেতাদের চাহিদা বুঝে পণ্য বেছে নিলে ক্রেতা ধরে রাখা সহজ হয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
