কসমেটিকস দোকান
ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

কসমেটিকস দোকান — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৮ – ১২ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
ক্রিম, লোশন, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, লিপস্টিক, নেলপলিশ, চুলের তেল আর সাবান — এইসব নিয়ে দোকান। বাইরে থেকে দেখলে সহজ ব্যবসা: মাল কিনে তাকে সাজিয়ে রাখা আর বিক্রি করা। কিন্তু এই লাইনের আসল ফাঁদ তাকের উপর সাজানো মালের ভেতরেই। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক মান সনদের তালিকায় প্রসাধনীর অন্তত আঠারোটি পদ আছে — স্কিন ক্রিম, স্কিন লোশন, শ্যাম্পু, বেবি শ্যাম্পু, টয়লেট সাবান, ফেসওয়াশ, ফেস প্যাক, লিপস্টিক, নেলপলিশ, চুলের তেল, হেয়ার ক্রিম, হেয়ার ডাই, কাজল, মেহেদি, পেট্রোলিয়াম জেলি, স্কিন পাউডার, টুথ পাউডার ও আফটার শেভ লোশন। মানে দেশে বানানো হোক বা বিদেশ থেকে আনা হোক, সনদ ছাড়া এসব বিক্রি করা যায় না, আর আমদানি করা পণ্যের জন্য বিএসটিআই-এর ছাড়পত্র লাগে। সীমান্ত দিয়ে আসা বা বৈধ কাগজ ছাড়া আনা মাল দোকানে তোলা হলে ধরা পড়লে দায় দোকানদারের — পাইকারের নয়, কোম্পানির নয়। তার উপর মোড়কজাত পণ্য বিক্রি করতে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিবন্ধন সনদ লাগে; সনদ ছাড়া বিক্রিতে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আর পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান আছে। বাজারে জিনিসের দাম বেশ চড়া — ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ফেসওয়াশ ৳৩৯৯, হেয়ার সিরাম ৳৬২৬, সানস্ক্রিন জেল ৳৭৪৯ আর নায়াসিনামাইড সিরাম ৳১,০০৬। দাম যত বেশি, নকলের লোভও তত বেশি — আর নকল ধরা পড়ে খদ্দেরের মুখে, তারপর এলাকার কথায়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,৫০,০০০ – ৳১১,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩৯৯ – ৳১,০০৬ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২৯০ – ৳৭৮০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২২% – ২৭% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৮ – ১২ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ২% – ৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫ – ১৩০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- শুরুর মজুত — ক্রিম, লোশন, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, সাবান, চুলের তেল, লিপস্টিক, নেলপলিশ, কাজল ও মেহেদি। প্রতিটি পদের একাধিক দামের স্তর রাখতে হয়, তাই মজুতেই পুঁজির বড় অংশ চলে যায়।শুরুর মাল
- বিক্রির জন্য রাখা প্রসাধনীতে বিএসটিআই-এর মান চিহ্ন — বাধ্যতামূলক তালিকায় টয়লেট সাবান (BDS 13:2021), শ্যাম্পু (BDS 1269:2022), স্কিন পাউডার (BDS 1337:2024), হেয়ার ডাই (BDS 1338:2023), হেয়ার অয়েল (BDS 1339:2018), টুথ পাউডার (BDS 1370:2017), স্কিন ক্রিম (BDS 1382:2024), হেয়ার ক্রিম (BDS 1420:2024), নেলপলিশ (BDS 1421), লিপস্টিক (BDS 1424:2024), আফটার শেভ লোশন (BDS 1524:2006), পেট্রোলিয়াম জেলি (BDS 1597:2023), বেবি শ্যাম্পু (BDS 1884:2014), স্কিন লোশন (BDS 1923:2019), কাজল (BDS 1949:2018), মেহেদি (BDS 1966:2019), ফেস প্যাক (BDS 1977:2020), ফেসওয়াশ (BDS 2000:2022)।লাইসেন্স
- আমদানি করা প্রসাধনীর ক্ষেত্রে বিএসটিআই-এর ছাড়পত্র — বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত পণ্য আমদানি করলে বিএসটিআই ছাড়পত্র দেয়। দোকানে তোলার আগে পাইকারের কাছে সেই কাগজ চেয়ে নেওয়াই দোকানদারের একমাত্র রক্ষা।লাইসেন্স
- পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ — ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮। মোড়কে ওজন বা পরিমাণ ঘোষণা করে বিক্রি হওয়া পণ্যের জন্য প্রযোজ্য; সনদ ছাড়া বিক্রিতে অনূর্ধ্ব ২০ লাখ টাকা জরিমানা ও/অথবা অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ড, আর মোবাইল কোর্টে বিচার হয়।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
- মোড়ক দেখে আসল-নকল চেনা — ছাপার মান, ব্যাচ নম্বর, মেয়াদের তারিখ, আমদানিকারকের স্টিকার। এটা শেখা ছাড়া এই ব্যবসায় নামা মানে অন্যের ঝুঁকি নিজের ঘাড়ে নেওয়া।দক্ষতা
- পাইকারি বাজার ও পরিবেশক — ঢাকার চকবাজার ও গুলিস্তান, চট্টগ্রামের রেয়াজউদ্দিন বাজার; সঙ্গে দেশি কোম্পানির স্থানীয় পরিবেশক, যাঁরা রসিদ ও কাগজ দেন।সরবরাহকারী
- সামনের দিকের দোকান, কাচের শোকেস, আয়না, ভালো আলো ও তালাবদ্ধ তাক — দামি ছোট জিনিস বেশি বলে চুরির ঝুঁকিও বেশি।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1দোকানের জায়গা দেখুন — বাজারের ভেতর, কলেজের পাশে বা মহিলাদের চলাচলের রাস্তায়। এই ব্যবসায় দোকান যত সামনে, বিক্রি তত বেশি।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর এনবিআর থেকে টিআইএন করান।
- 3কোন কোন পণ্য বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় আছে তা জেনে নিন — স্কিন ক্রিম, লোশন, শ্যাম্পু, সাবান, ফেসওয়াশ, লিপস্টিক, নেলপলিশ, চুলের তেল, কাজল, মেহেদি, পেট্রোলিয়াম জেলিসহ অন্তত আঠারোটি পদ।
- 4পাইকারি বাজার ঠিক করুন — ঢাকার চকবাজার ও গুলিস্তান, চট্টগ্রামের রেয়াজউদ্দিন বাজার। প্রথমবার গিয়ে দাম জিজ্ঞেস করার আগে কাগজ জিজ্ঞেস করুন।
- 5প্রতিটি চালানের জন্য পাইকারের কাছ থেকে পাকা রসিদ নিন, আর আমদানি করা মালের ক্ষেত্রে কাগজপত্র দেখতে চান। ধরা পড়লে দোকানদারকেই জবাব দিতে হয়, পাইকারকে নয়।
- 6মোড়কের গায়ে মেয়াদের তারিখ, উৎপাদকের নাম-ঠিকানা আর আমদানিকারকের নাম আছে কি না দেখে মাল তুলুন। এই তিনটার কোনোটা না থাকলে মাল তুলবেন না।
- 7দোকান সাজান — কাচের শোকেস, আয়না, ভালো আলো আর তাক। প্রসাধনী চোখে দেখে কেনার জিনিস, তাই আলো কম থাকলে দামি মাল বিক্রি হয় না।
- 8মেয়াদের তারিখ ধরে খাতা রাখুন আর মাসে একবার তাক ধরে ধরে মিলিয়ে নিন। মেয়াদোত্তীর্ণ মাল বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ধরা পড়ে, আর তাকে পড়ে থাকলে নিজের টাকা মরে থাকে।
- 9পাড়ার পার্লার ও সেলুনের সঙ্গে সম্পর্ক করুন — তারা নিয়মিত ও বেশি পরিমাণে কেনে, কিন্তু বাকির শর্ত আগে লিখে রাখুন।
- 10ফেসবুক ও অনলাইনে ছবি দিয়ে বিক্রি শুরু করুন, তবে যে পণ্যের কাগজ নেই সেটা অনলাইনে তুলবেন না — অনলাইনের প্রমাণ থেকে যায়।
- 11ঈদ, পূজা আর বিয়ের মৌসুমের আগে মাল তুলুন, আর গরমের খালি মাসগুলোর জন্য টাকা আলাদা রাখুন।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দরনগরী ও আমদানির দরজা; রেয়াজউদ্দিন বাজার বড় পাইকারি কেন্দ্র, তাই মাল আগে ও সস্তায় পাওয়া যায়।
- খুব উপযোগীঢাকা · চকবাজার ও গুলিস্তানের পাইকারি বাজার এখানেই, আর ক্রয়ক্ষমতা ও ব্র্যান্ডের চাহিদাও সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের বড় বাজার — কম দামের পদ বেশি চলে, বিক্রি নিয়মিত।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও পাইকারি বাজার, আর ঢাকার সরবরাহ হাতের কাছে।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, বিদেশি ব্র্যান্ডের চাহিদাও বেশি — তবে বিদেশ থেকে আসা মালের কাগজ নিয়েই ঝুঁকি সবচেয়ে বড়।
- সম্ভবব্রাহ্মণবাড়িয়া · আখাউড়া স্থলবন্দর এই জেলায়, আর স্থানীয় বাজারে সীমান্তপথে আসা পণ্য বেশি দেখা যায়।
- সম্ভবকক্সবাজার · পর্যটন মৌসুমে বিক্রি বেড়ে যায়, আর হোটেল-লাগোয়া দোকানে দামি পদ চলে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়ক ও সীমান্ত দুটোই কাছে; স্থানীয় বাজার বড়, আর পার্লারের সংখ্যা বাড়ছে।
- সম্ভবদিনাজপুর · হিলি স্থলবন্দরের জেলা; সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় সস্তা মাল মেলে, কিন্তু কাগজ ছাড়া মাল তোলার প্রলোভনও বেশি।
- সম্ভবযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দর এই জেলায় — সীমান্তপথে আসা প্রসাধনী সহজে মেলে, আর সেখান থেকেই কাগজবিহীন মালের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: দোকানে যে মাল আছে তার দায় দোকানদারের। বাধ্যতামূলক তালিকাভুক্ত প্রসাধনী সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন অবস্থায় বিক্রি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাল জব্দ করে আর জরিমানা করে; মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ না থাকলে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান আছে। পাইকার তখন দায় নেয় না — 'আমি তো শুধু বেচেছি' বলে সরে যায়। রসিদ আর আমদানির কাগজ না রাখলে নিজের পক্ষে বলার কিছু থাকে না।
- বেশিনির্ভরশীলতা: নকল প্রসাধনী চেনা কঠিন, আর দাম যত বেশি নকলের সরবরাহ তত বেশি। ৳৭৪৯-এর সানস্ক্রিন বা ৳১,০০৬-এর সিরামের নকল বানিয়ে বিক্রি করা লাভজনক। খদ্দেরের মুখে সমস্যা হলে তিনি কোম্পানিকে খোঁজেন না, দোকানদারকে খোঁজেন, আর পাড়ার কথায় দোকানের নাম বসে যায়। একবার 'ওই দোকানে নকল মাল' রটে গেলে ফেরানো যায় না।
- বেশিচলতি মূলধন: এই ব্যবসার টাকা তাকের উপর শুয়ে থাকে। প্রতিটি পদের একাধিক ব্র্যান্ড ও একাধিক দামের স্তর না রাখলে খদ্দের ফিরে যান, কিন্তু রাখলে পুঁজির বড় অংশ অবিক্রীত মালে আটকে থাকে। কোন রঙের লিপস্টিক বা কোন ক্রিম চলবে তা আগে থেকে বোঝা যায় না, আর যেটা চলে না সেটা মেয়াদ পর্যন্ত পড়ে থাকে।
- মাঝারিনষ্ট হওয়া: প্রসাধনীরও মেয়াদ থাকে, আর গরমে ক্রিম ও লোশন নষ্ট হয় বা রং বদলায়। মেয়াদ পার হওয়া মাল বিক্রি করা যায় না, ফেরতও দেওয়া যায় না — ওটা পুরো ক্ষতি। মেয়াদের খাতা না থাকলে ক্ষতিটা বছর শেষে হঠাৎ ধরা পড়ে।
- মাঝারিচাহিদা: বিক্রি উৎসব ও বিয়ের মৌসুমে জমে — ঈদ, পূজা আর শীতের বিয়ের মাসগুলো। গরমের মাঝামাঝি বিক্রি নেমে যায়, কিন্তু দোকান ভাড়া ও কর্মচারীর বেতন বারো মাসই দিতে হয়। এখন অনলাইন পেজ থেকেও অনেকে সরাসরি কেনেন, তাই পাড়ার দোকানের ভাগে কম পড়ে।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
মেট্রোলজি উইং-এর আইনগত কার্যক্রম — ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এবং পণ্যমোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সারণী-২: পণ্যের পরীক্ষণ ফি'র তালিকা, রসায়ন পরীক্ষণ উইং (ফুড, কেমিক্যাল ও হালাল ডিভিশন)
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিএম লাইসেন্স প্রসেস ফ্লো (বাধ্যতামূলক পণ্য) — সেবা প্রোফাইল ও প্রসেস ম্যাপ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাচশমার দোকান
ফ্রেম আর লেন্স এনে দোকানে বসে চশমা বানিয়ে দেওয়া। একজোড়া সাধারণ চশমা ৳৬৪৯ থেকে ৳৫,৪০০ (অনলাইন দর, ২১-০৯-২০২৬)। বিএসটিআইয়ের কোনো সনদ লাগে না, ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপোষা প্রাণীর খাবার ও সামগ্রীর দোকান
বিড়াল-কুকুরের আমদানি করা খাবার, লিটার ও সরঞ্জামের দোকান। শুকনো খাবার কেজিপ্রতি ৳৪৮৭ থেকে ৳১,৯০০ (২১-০৯-২০২৬)। খাবারে আমদানি শুল্ক ২৫%, আর চাহিদা এখনো মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামাছের আড়ত
চাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসারং ও হার্ডওয়্যারের দোকান
রং, সিমেন্ট, রড, পাইপ, স্যানিটারি ও যন্ত্রপাতির খুচরা দোকান। ১২-০৩-২০২৬ তারিখে ৫০ কেজির সিমেন্ট ৳৪৭৫–৫২০ আর ৬০ গ্রেডের রড টনপ্রতি ৳৮৭,০০০–৮৮,৫০০ — দাম সপ্তাহে সপ্তাহে নড়ে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
