মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার দ্বীপনগর মাছের আড়তের আড়তদারেরা · ২০০৯ সালে শুরু

তিন ঘণ্টার বাজারে আড়াই কোটি টাকার মাছ

২০০৯ সালে শুরু হওয়া দ্বীপনগর আড়তে প্রতিদিন ভোর ছয়টা থেকে নয়টার মধ্যে ২ থেকে আড়াই কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়; পাঙাশই বিক্রি হয় প্রায় ৪০,০০০ কেজি।

ঢাকার গাবতলী-মোহাম্মদপুর বাঁধের ওপর দ্বীপনগরের আড়ত ২০০৯ সালে শুরু হয়ে এখন দেশের সবচেয়ে বড় পাঙাশের পাইকারি বাজার। ভোর ছয়টা থেকে সকাল নয়টা — এই তিন ঘণ্টাতেই ২ থেকে আড়াই কোটি টাকার মাছ হাতবদল হয়, পাঙাশই প্রায় ৪০,০০০ কেজি। বাজারে আড়ত আছে প্রায় ৪০০টি; এখানকার এক আড়তদারের কথায়, "আমাদের দৈনিক ৫ টনের মতো মাছ বিক্রি হয়," যার দাম ৫–৭ লাখ টাকা। বাজারে পাঁচটি হিমাগার আছে, যেখানে মাইনাস ২০ ডিগ্রিতে দুই মাস পর্যন্ত মাছ রাখা যায়, আর একটি বরফকল — বরফের চাক ৯০–১০০ টাকা। সাভারের নবীনগর থেকে আসা একজন খুচরা বিক্রেতা রোজ ১৫০–২০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ কিনে নিয়ে যান।

যা শেখার আছে

  1. ১.মাছের পাইকারি ব্যবসা দিনের অল্প কয়েক ঘণ্টার — সকাল ছয়টা থেকে নয়টার মধ্যেই পুরো দিনের টাকা ওঠে
  2. ২.বরফ আর হিমাগার এখানে বাড়তি খরচ নয়, ওগুলোই মাছ ধরে রাখার সুযোগ দেয় — না হলে যে দামে হোক ছেড়ে দিতে হয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।