মাছের আড়ত
চাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

মাছের আড়ত
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৬০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৮ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
মাছের আড়ত মানে চাষি বা জেলের আনা মাছ নিলামে তুলে বেচে দেওয়া, আর বিক্রির টাকার উপর কমিশন রাখা। আড়তদার নিজে মাছ কেনেন না। তাই মাছের দাম পড়ে গেলে বা মাছ নষ্ট হলে লোকসানটা তাঁর নয়, চাষির। কিন্তু চাষিকে ধরে রাখতে হলে আগাম টাকা দিতে হয় — এটাই দাদন। এখানেই আড়ত আসলে একটা ঋণের ব্যবসা। দক্ষিণাঞ্চলের ৭ জেলার ৩১টি বাজারে ২২৯ জন পাইকারি ব্যবসায়ীর উপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, ১০০ জন আড়তদারের ৯৫ জনই নিয়মিত সরবরাহকারীকে দাদন দেন, আর চাষি সেই দাদনের উপর কোনো সুদ দেন না। বদলে চাষি বাধ্য থাকেন সারা বছর ওই আড়তেই মাছ তুলতে। কমিশনের হার দাদন নেওয়া চাষির কাছে ২.৯ শতাংশ, আর দাদন না নেওয়া চাষির কাছে ৩.১ শতাংশ — অর্থাৎ দাদনের জন্য আলাদা করে বেশি কাটা হয় না। টাকা আটকে থাকে অল্প সময়। ক্রেতারা মালের দামের প্রায় ৮৯ ভাগ দুই থেকে চার দিন পরে দেন, আর আড়তদারও সরবরাহকারীকে ঠিক সেভাবেই বাকিতে টাকা দেন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার পাইকারি বাজারে চাষের রুই ছিল ৳২৯০–৪০০, কাতল ৳২৬০–৩৮০, পাঙাশ ৳১৩০–১৯০ আর তেলাপিয়া ৳১২০–২০০ কেজি। একই দিনে খুচরা রুই ৳৩০০–৪৫০। ব্যবধান কম, কারণ মাছ দিনের দিনই বিক্রি হয়ে যায়। লাভ আসে কমিশন থেকে, আর কমিশন আসে ভলিউম থেকে — যত বেশি চাষি আড়তে মাছ তোলেন, তত বেশি আয়। তাই দাদন আসলে সুদ খাওয়ার জন্য নয়, চাষিকে ধরে রাখার জন্য দেওয়া হয়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১,০০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১২০ – ৳৪০০ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১১৬ – ৳৩৯০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২% – ৪% | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৮ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২ – ৪ দিন | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ০% – ১% | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫০০ – ৪,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- বড় দাঁড়িপাল্লা, প্লাস্টিকের গামলা ও ক্যারেট, বরফ ভাঙার সরঞ্জাম, স্টিলের টেবিল আর হিসাবের খাতা। জরিপে ৯৬ শতাংশ ডিপো ও ২৮ শতাংশ আড়তদার স্টিলের টেবিল ব্যবহার করেন।যন্ত্রপাতি
- দাদনের জন্য হাতে রাখা নগদ টাকা। এটি মাল নয়, কিন্তু এটাই আড়তের আসল পুঁজি — জরিপে ৯৫ শতাংশ আড়তদার নিয়মিত সরবরাহকারীকে দাদন দেন।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে হয়।লাইসেন্স
- কৃষি বিপণন লাইসেন্স — কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। কৃষি বিপণন আইনের আওতায় আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীর জন্য ফরম-১ দিয়ে আবেদন ও নবায়নের ব্যবস্থা আছে। ফি অনলাইনে জমা দিতে হয়; হার এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- নিলাম ডাকা, চোখে দেখে মাছের ওজন ও মান বোঝা, আর কোন চাষিকে কত দাদন দিলে টাকা ফিরবে তা বিচার করা।দক্ষতা
- নিয়মিত মাছ দেওয়া চাষি বা জেলে। জরিপে চাষিদের ৮৯ শতাংশ মাছ আড়তদারের মাধ্যমেই বিক্রি হয়, তাই সরবরাহের লাইনটাই মূল সম্পদ।সরবরাহকারী
- বাজারের ভেতরে আড়তঘর — পানি, নালা, বরফ রাখার জায়গা আর ট্রাক লাগানোর রাস্তা। ভাড়া বা সালামি বাজারভেদে আলাদা।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1যে বাজারে মাছ নামে সেখানে আড়তঘর খুঁজুন। পানি, বরফ আর ট্রাক ঢোকার রাস্তা — এই তিনটা না থাকলে আড়ত চলে না।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ব্যবসার ধরন হিসেবে 'মাছের আড়ত' লেখান।
- 3কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কৃষি বিপণন লাইসেন্সের জন্য ফরম-১ দিয়ে আবেদন করুন; এটি প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়।
- 4চাষি ধরুন। কোন কোন পুকুর বা খামার থেকে নিয়মিত মাছ আসবে, আগে সেটা ঠিক করুন — আড়তে মাছ না উঠলে কমিশনও নেই।
- 5দাদনের হিসাব ঠিক করুন। কাকে কত আগাম দেবেন, কবে কাটবেন, আর সেই টাকা না ফিরলে কী হবে — লিখে রাখুন, কারণ এই ব্যবসায় সবই মুখের কথায় চলে।
- 6নিলাম ডাকার লোক আর মাপ-ওজনের লোক ঠিক করুন। আড়তদারের সবচেয়ে বড় খরচ কর্মচারীর বেতন — জরিপে এটি মোট খরচের ৬০ শতাংশ।
- 7বরফ আর পানির ব্যবস্থা পাকা করুন। জ্যান্ত মাছ তুলতে পারলে মরা মাছের চেয়ে ৫–১০ শতাংশ বেশি দাম ওঠে।
- 8প্রতিদিন ভোরে নিলাম ডাকুন, খোলা ডাকে দাম ঠিক হতে দিন, আর প্রতিটি লটের ওজন ও দাম খাতায় তুলুন।
- 9বিক্রির টাকা থেকে কমিশন কেটে বাকি টাকা চাষিকে দিন, আর দাদনের কিস্তি সেখান থেকেই ধীরে ধীরে তুলুন।
- 10ক্রেতার বাকি টাকা দুই-চার দিনের মধ্যে আদায় করুন। এই দেরিটা আপনাকেও সরবরাহকারীর কাছে দিতে হবে, তাই হিসাব না মিললে দুই দিকেই চাপ পড়ে।
- 11বছরের শেষে দেখুন কোন চাষির দাদন উঠল না। যা উঠল না তা পরের বছরে গড়ায় — জরিপে ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রেই তা-ই হয়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইবেশি
- আগস্টবেশি
- সেপ্টেবেশি
- অক্টোকম
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবরিশাল · নদীর মাছ আর ইলিশের মোকাম; মৌসুমে ভলিউম হঠাৎ অনেক বেড়ে যায়।
- খুব উপযোগীচাঁদপুর · ইলিশের বড় অবতরণকেন্দ্র; মৌসুমে আড়তে ভিড় থাকে, নিষেধাজ্ঞার সময় প্রায় বন্ধ।
- খুব উপযোগীঢাকা · যাত্রাবাড়ী বাজারের মাছের আড়ৎ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পাইকারি দর সংগ্রহের ১১টি বাজারের একটি; সারা দেশের মাছ এখানেই এসে ভাঙে।
- খুব উপযোগীযশোর · মাছ ও পোনার বড় কেন্দ্র, আর দক্ষিণাঞ্চলের যে সাত জেলায় জরিপ হয়েছে তার একটি।
- খুব উপযোগীখুলনা · চিংড়ি ও মাছের ঘেরের জেলা; জরিপে দেখা গেছে ডিপোরা এখান থেকেই প্রক্রিয়াজাত কারখানায় মাল পাঠায়।
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · পুকুরে মাছ চাষের বড় এলাকা, তাই আড়তে মাছ ওঠা সারা বছর থামে না।
- সম্ভববাগেরহাট · চিংড়ি ও সাদা মাছ দুটোই ওঠে, তবে অনেক মাল সরাসরি খুলনায় চলে যায়।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহরের চাহিদা আর প্রক্রিয়াজাত কারখানা দুটোই কাছে; জরিপে ডিপোদের বড় গন্তব্য এই জেলা।
- সম্ভবকক্সবাজার · সামুদ্রিক মাছের আড়ত আলাদা ধরনের — এখানে দাদন জেলে ও ট্রলারমালিকের সঙ্গে, চাষির সঙ্গে নয়।
- সম্ভবপটুয়াখালী · উপকূলের মাছ ও ঘেরের মাছ দুটোই আসে, তবে পরিবহন খরচ বেশি।
- সম্ভবসাতক্ষীরা · ঘেরের এলাকা; চিংড়ির ডিপো আর মাছের আড়ত পাশাপাশি চলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: ক্রেতা মালের দামের প্রায় ৮৯ শতাংশ দুই থেকে চার দিন পরে দেন। জরিপের ৯৭ শতাংশ পাইকারের ক্ষেত্রেই এটা ঘটে, অর্থাৎ এটা নিয়ম, ব্যতিক্রম নয়। একজন বড় ক্রেতা টাকা আটকে দিলে আপনাকেও চাষিকে দেরি করতে হয়, আর তখন চাষি পরের চালান অন্য আড়তে তোলেন।
- মাঝারিচাহিদা: পুরো শৃঙ্খলে মাছের দাম কৃষক থেকে খুচরা পর্যন্ত মাত্র ১০ শতাংশ বাড়ে — সিপিডির ৩০ জুলাই ২০২৬-এ প্রকাশিত গবেষণার হিসাব। অর্থাৎ মাঝখানে কাটার জায়গা খুব কম। দাম বেশি নেওয়ার চেষ্টা করলে ক্রেতা অন্য আড়তে চলে যায়, কারণ খোলা নিলামে দাম সবার সামনেই ঠিক হয়।
- কমনষ্ট হওয়া: নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি এই ব্যবসায় সবচেয়ে কম, কারণ লট দিনের দিনই বিক্রি হয় আর আড়তদার মালের মালিক হন না। তবু বরফ বা বিদ্যুৎ না থাকলে জ্যান্ত মাছ মরে যায়, আর মরা মাছে ৫–১০ শতাংশ দাম কম ওঠে — ক্ষতিটা চাষির হলেও কমিশন কমে আড়তদারেরও।
- বেশিচলতি মূলধন: দাদন বিনা সুদে দেওয়া হয় আর কোনো কাগজ থাকে না — পুরোটাই মুখের কথা ও পুরোনো সম্পর্কের উপর। জরিপে দেখা গেছে, ৬৪ শতাংশ ক্ষেত্রে দাদন এক বছরের মধ্যে শোধ হয়, কিন্তু ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রে বাকি থেকে যায় আর পরের বছরে গড়ায়। চাষির পুকুরে রোগ লাগলে বা তিনি অন্য আড়তে মাছ তুললে ওই টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো আইনি পথ নেই।
- বেশিনির্ভরশীলতা: আয় পুরোটাই কমিশন, আর কমিশন পুরোটাই ভলিউম। হার মাত্র ২.৯–৩.১ শতাংশ, তাই আড়তে মাছ ওঠা কমে গেলে আয় সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যায়, অথচ কর্মচারীর বেতন — যা আড়তদারের মোট খরচের ৬০ শতাংশ — কমে না। পাশে নতুন আড়ত বসলে চাষি সরে যেতে পারেন, কারণ বাজার এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক।
সূত্র
কৃষি বিপণন লাইসেন্স — ফরম-১ (লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নের জন্য আবেদন)
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
ঢাকা মহানগরীর বাজারসমূহের নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের পাইকারী বাজারদর, ১৫-০৯-২০২৬
সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগরী (১১টি বাজার)
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
তিন ঘণ্টার বাজারে আড়াই কোটি টাকার মাছ
২০০৯ সালে শুরু হওয়া দ্বীপনগর আড়তে প্রতিদিন ভোর ছয়টা থেকে নয়টার মধ্যে ২ থেকে আড়াই কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়; পাঙাশই বিক্রি হয় প্রায় ৪০,০০০ কেজি।
- কারণ
- ভালো জায়গা, চাহিদা কম
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকসমেটিকস দোকান
ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাচশমার দোকান
ফ্রেম আর লেন্স এনে দোকানে বসে চশমা বানিয়ে দেওয়া। একজোড়া সাধারণ চশমা ৳৬৪৯ থেকে ৳৫,৪০০ (অনলাইন দর, ২১-০৯-২০২৬)। বিএসটিআইয়ের কোনো সনদ লাগে না, ট্রেড লাইসেন্সই একমাত্র কাগজ।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপোষা প্রাণীর খাবার ও সামগ্রীর দোকান
বিড়াল-কুকুরের আমদানি করা খাবার, লিটার ও সরঞ্জামের দোকান। শুকনো খাবার কেজিপ্রতি ৳৪৮৭ থেকে ৳১,৯০০ (২১-০৯-২০২৬)। খাবারে আমদানি শুল্ক ২৫%, আর চাহিদা এখনো মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসারং ও হার্ডওয়্যারের দোকান
রং, সিমেন্ট, রড, পাইপ, স্যানিটারি ও যন্ত্রপাতির খুচরা দোকান। ১২-০৩-২০২৬ তারিখে ৫০ কেজির সিমেন্ট ৳৪৭৫–৫২০ আর ৬০ গ্রেডের রড টনপ্রতি ৳৮৭,০০০–৮৮,৫০০ — দাম সপ্তাহে সপ্তাহে নড়ে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
