মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একটি জুতার ব্র্যান্ডের উদ্যোক্তা দম্পতি · ২০২১ সালে শুরু

স্ত্রীর জমানো ৯০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে লেনদেন ৮ কোটি

২০২১ সালে স্ত্রীর জমানো ৯০,০০০ টাকা দিয়ে ফেসবুক ও নিজস্ব ওয়েবসাইটে জুতার ব্র্যান্ড শুরু; এখন ঢাকায় দুটি শোরুম, প্রায় ৯০ জন কর্মী আর বছরে লেনদেন প্রায় ৮,০০,০০,০০০ টাকা।

পাবনা থেকে আসা এই দম্পতি ২০২১ সালে স্ত্রীর জমানো ৯০,০০০ টাকা দিয়ে নিজেদের জুতার ব্র্যান্ড চালু করেন। শুরুতে বিক্রি হতো শুধু ফেসবুক আর নিজস্ব ওয়েবসাইটে; পরে ঢাকার ধানমন্ডি ও বনানী ১০-এ দুটি শোরুম খোলা হয় — অর্থাৎ দোকানের খরচ এসেছে এমন একটি ব্যবসা থেকে, যেটি আগেই অনলাইনে নিজেকে প্রমাণ করেছিল। তাঁরা তৈরি জুতা কিনে বিক্রি করেন না; একজন জুতা প্রস্তুতকারকের সঙ্গে কাজ করে নিজেদের নকশাতেই জুতা বানান, ফলে লাভের হার পুনঃবিক্রেতার চেয়ে বেশি থাকে। এখন বছরে লেনদেন প্রায় ৮,০০,০০,০০০ টাকা আর কর্মী প্রায় ৯০ জন। দেশের বড় জুতার ব্র্যান্ডগুলোর কাতারে পৌঁছানোই তাঁদের লক্ষ্য। মুনাফা, শোরুমের খরচ বা প্রথম আয় আসতে কত সময় লেগেছে, প্রতিবেদনে তা বলা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.নিজের নকশায় জুতা বানিয়ে নিলে যে লাভ থাকে, অন্যের ব্র্যান্ড পুনঃবিক্রি করে তা থাকে না
  2. ২.আগে অনলাইন, পরে শোরুম — দোকানের খরচ এসেছে এমন ব্যবসা থেকে যেটি আগেই নিজেকে প্রমাণ করেছিল

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।