মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের একজন দড়ির হস্তশিল্প উদ্যোক্তা · ২০২০ সালে শুরু

৩ হাজার টাকায় শুরু, এখন মাসে সাড়ে তিন লাখ টাকার বিক্রি

২০২০ সালে ৩,০০০ টাকা নিয়ে ঘরে বসে শুরু। এখন মাসে বিক্রি ৩–৩.৫ লাখ টাকা, খরচ বাদে মুনাফা বিক্রির ১৫–১৭ শতাংশ, আর কাজ করেন ২১–৩০ জন।

দিনাজপুর শহরের পশ্চিম রামনগরের এই নারী ২০২০ সালে ৩,০০০ টাকা নিয়ে নিজের ঘরেই দড়ির গিঁট দিয়ে পণ্য বানানো শুরু করেন। ম্যাক্রামে কর্ড, সামারিয়ান সুতা, উল, পুঁতি, পালক, বেতের রিং আর কাঠ দিয়ে এখন একশোর বেশি রকমের পণ্য তৈরি হয় — ড্রিমক্যাচার, দড়ির পর্দা, জায়নামাজ ঝোলানোর হ্যাঙ্গার, ঝুড়ি, কলমদানি, চাবির রিং, টেবিল ল্যাম্প, মাদুর আর কার্পেট। প্রতিবেদন অনুযায়ী এখন মাসে বিক্রি ৩–৩.৫ লাখ টাকা, আর খরচ বাদে মুনাফা থাকে বিক্রির ১৫–১৭ শতাংশ। কারখানায় কাজ করেন ২১–৩০ জন, যাঁদের অনেকেই শিক্ষার্থী; একজনের কথায়, "এখন কারখানায় প্রায় ৩০ জন কাজ করছি। প্রত্যেকে গড়ে ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করি।" যেকোনো সময় তৈরি পণ্য থাকে প্রায় ২ লাখ টাকার, আর কাঁচামাল থাকে ৬–৬.৫ লাখ টাকার। বিক্রির বড় অংশই হয় ফেসবুক পেজে।

যা শেখার আছে

  1. ১.যে পণ্যে হাতের কাজ বেশি আর কাঁচামাল কম, সেখানে ৩ হাজার টাকাতেও শুরু করা যায় — মজুত বেড়েছে বিক্রির টাকাতেই, ঋণে নয়
  2. ২.কাঁচামালে আটকে থাকে ৬–৬.৫ লাখ, তৈরি পণ্যে ২ লাখ — বিক্রির আগেই পুঁজির বড় অংশ মালামালে বসে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।