দুবলার চরের নিলামে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় দুটি দাঁতিনা ভোল কিনলেন মোংলার আড়তদার
সুন্দরবনের দুবলার চরে জেলের জালে ধরা ৬৩ কেজি ৫০০ গ্রামের দুটি বিরল ভোল মাছ নিলামে কিনেছেন মোংলার এক আড়তদার। মাছ দুটি বেশি দামে বিক্রির আশায় চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে, তবে প্রতিবেদনে চূড়ান্ত বিক্রির ফল নেই।
বাগেরহাটের মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মেসার্স জয়মনি ফিশ’ নামের আড়তের মালিক সুন্দরবনের দুবলার চরে একটি নিলামে দুটি বিরল সামুদ্রিক দাঁতিনা ভোল মাছ কিনেছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অক্টোবরের শুরুতে পাঁচ মাসের জন্য অনেক জেলে শুঁটকি তৈরির উদ্দেশে বঙ্গোপসাগরের পাঁচটি চরে যান। তাঁদেরই একজনের জালে শুক্রবার রাতে মাছ দুটি ধরা পড়ে। শেষ রাতে জেলে মাছ দুটি দুবলার চরের আড়তে নিলামে তোলেন। নিলামে ২০ থেকে ২৫ জন দরদাতা ছিলেন; সর্বোচ্চ দাম হাঁকেন ওই আড়তদার। বড় মাছটির ওজন ৩৬ কেজি ৫০০ গ্রাম, দাম ওঠে ১১ লাখ টাকা; ছোটটির ওজন ২৭ কেজি, দাম ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মোট ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, কেজিপ্রতি পড়েছে ২৯ হাজার ১৩৩ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, এই মাছের বিশেষ ফুলকার কেজি কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি হয়, যা বিদেশে রপ্তানি হয় ওষুধ তৈরির জন্য। আড়তদার মাছ দুটি সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও মোড়কজাত করে বেশি দামে বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে পাঠান। মোংলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সমবায় সমিতির সভাপতি জানান, গত ১০ বছরে কেন্দ্রে দাঁতিনা ভোল আসেনি, আর তাঁর ধারণা চট্টগ্রামে আরও বেশি দাম মিলবে। চূড়ান্ত বিক্রির অঙ্ক প্রতিবেদনে নেই।
যা শেখার আছে
- ১.নিলামে ২০–২৫ জন দরদাতার মধ্যে সর্বোচ্চ দাম দিতে হলে বড় নগদ পুঁজি লাগে; এমন বিরল মাছ কেনা বড় ঝুঁকিও।
- ২.দামি মাছ সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও মোড়কজাত করে দরকষাকষির বাজারে পাঠালে বেশি দাম পাওয়ার সুযোগ থাকে।
- ৩.এমন মাছ বছরে একবারও আসে না, তাই আড়তের স্থায়ী আয় এর ওপর ভরসা করে হিসাব করা ঠিক নয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
