কুয়াকাটার আড়তে এক ট্রলারের ১৯৫ মণ ইলিশ নিলামে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি
পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের একটি আড়তে এক ট্রলারের ১৯৫ মণ ইলিশ নিলামে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। ট্রলারের মালিক জানান, দীর্ঘদিন কম মাছ পড়ায় লোকসান হচ্ছিল, এই বিক্রিতে কিছুটা পুষিয়ে নেবেন।
কুয়াকাটার আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছের আড়ত চলে নিলামের মাধ্যমে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এফবি বিসমিল্লাহ-১ নামের একটি ট্রলার ৬ তারিখ ১৭ জন জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে যায়। প্রথম দুই দিন জাল ফেলেও জেলেরা হতাশ হন। পরে কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণে প্রায় ৯০ কিলোমিটার গভীরে মাছ ধরা পড়ে, আর চার দিন পর ট্রলার ১৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে ফেরে। মাছগুলো নেওয়া হয় মেসার্স ফাইভ স্টার ফিশ নামের আড়তে। ১০ জানুয়ারি সেখানে নিলামে সব মাছ ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। আড়তের ম্যানেজার জানান, ৬০০–৮০০ গ্রামের ইলিশ মণপ্রতি ৪০ হাজার, ৪০০–৫০০ গ্রামের ইলিশ ২৫ হাজার এবং ছোটগুলো ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, আর অন্য প্রজাতির মাছ গেছে ৫৪ হাজার টাকায়। ট্রলারের মালিক বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে এবং তাঁদের লোকসান গুনতে হচ্ছিল; এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। মাঝি জানান, তখন সমুদ্রে মাছ ধরা পড়ছিল না। প্রতিবেদনে আড়তের কমিশন বা ট্রলারের খরচের হিসাব দেওয়া নেই।
যা শেখার আছে
- ১.আড়তে নিলামে মাছের দাম আকারভেদে অনেক আলাদা: ৬০০–৮০০ গ্রামের ইলিশ মণে ৪০ হাজার, ছোটগুলো ১৫ হাজার টাকা। বড় মাছ বেশি আনতে পারলে আয় বাড়ে।
- ২.সাগরের ধরা অনিশ্চিত: দুই দিন খালি জাল গেছে, দীর্ঘদিন লোকসানও হয়েছে। এক ট্রলারের ভালো চালানে আগের ক্ষতি পুরো মেটে না।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
