প্রতি ডেলিভারিতে ৩৫০–৪০০ টাকা, কেক নষ্ট করলেও ক্ষতিপূরণ নেই
ঘরে বসে কেক বানিয়ে অনলাইনে বেচা এক নারী বেকারের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ডেলিভারি — প্রতিবার ৩৫০–৪০০ টাকা খরচ, আর কিছু ডেলিভারিকর্মী কেক নষ্ট করলেও ক্ষতিপূরণ দেননি।
দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে ঘরে বসে খাবারের ব্যবসা করা কয়েকজন নারীর কথা এসেছে; তাঁরা ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে আগাম অর্ডার নিয়ে বানান, কারণ পণ্য দ্রুত নষ্ট হয়। অর্ডারের পরিমাণ বুঝে বাজার করা আলাদা ঝামেলা, আর সবচেয়ে কঠিন ধাপ ঠিকমতো পৌঁছে দেওয়া।
তাঁদের একজন ঘরে কেক বানিয়ে বিক্রি করেন। নতুন অবস্থায় সবচেয়ে কঠিন কী ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, যত্ন নিয়ে এবং বাজেটের মধ্যে কেক পৌঁছে দেবে এমন ডেলিভারি লোক খুঁজে পাওয়াই ছিল সবচেয়ে কঠিন। বেকিং এমনিতেই খরচসাপেক্ষ; তার ওপর প্রতি ডেলিভারিতে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা যোগ করতে হতো। তাঁর ভাষায়, এটাই এখনো সবচেয়ে কঠিন অংশ — কিছু ডেলিভারিকর্মী কেক নষ্টও করেছেন, অথচ ক্ষতিপূরণ দেননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফুডপান্ডা, পাঠাওয়ের মতো ডেলিভারি সেবা এমন গৃহভিত্তিক উদ্যোক্তাদের গ্রহণ করলেও ক্রেতার হাতে খাবার ঠিকভাবে পৌঁছানো নিয়ে আস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে, প্রতিযোগিতাও তীব্র। তবু তিনি নতুনদের ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে যেতে বলেন; পরিবারের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন বলেও জানান।
যা শেখার আছে
- ১.কেকের দামে ডেলিভারি খরচ আলাদা করে ধরুন বা ক্রেতার কাছ থেকে নিন — ৩৫০–৪০০ টাকা ছোট অর্ডারের লাভ খেয়ে ফেলতে পারে।
- ২.কেক পরিবহনের জন্য শক্ত বাক্স আর নির্ভরযোগ্য, পরীক্ষিত ডেলিভারি লোক ঠিক করে রাখুন; নষ্ট হলে কে দায় নেবে তা আগে ঠিক করুন।
- ৩.আগাম অর্ডার নিয়ে সেই অনুযায়ী বাজার করলে উপকরণ নষ্ট কম হয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
